দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে ফোকাসটা ছিল তাসকিনকে ঘিরেই। গতদিন দুই ওভার করা তাসকিন দ্বিতীয় ও শেষ দিনে কী করে তা দেখার অপেক্ষায় পাখির চোখ করেছিলেন নির্বাচকরা। অবশ্য এমন নয় যে ইংলিশদের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টেই তাকে সুযোগ দেওয়া হবে। তাসকিন যখন গ্যারেথ ব্যাটিকে বোল্ড করলেন উচ্ছ্বাসটা অবশ্য খুব বেশি দেখাননি। সোমাবার সকাল থেকে ১১ ওভার ২ বল করেছেন। সাফল্য ইংলিশদের সর্বশেষ উইকেট। তবে তাসকিনকে টেস্টের জন্য প্রস্তুতি করার মিশনে সফল বলা চলে। মাঠে বোলিং করার পাশাপাশি ফিল্ডিংয়ে ফিটনেসের ভালো পরীক্ষা দিয়েছেন তিনি। সবমিলিয়ে দুইদিনের এই প্রস্তুতি ম্যাচে তাসকিন ১৩.২ ওভার বোলিং করেছেন; নিয়েছেন একটিমাত্র উইকেট।
বিসিবি একাদশের দেওয়া ২৯৪ রানের বিপরীতে রবিবার প্রথমদিন ২ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করে ইংল্যান্ড। সোমবারের শুরুতে বিসিবি একাদশের বোলারদের দেখে শুনে খেলে ইংলিশ দুই ওপেনার হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়ে ড্রেসিরুমে ফিরে যান। এরপরই মূলত শুরু হয় ইংলিশদের আশা যাওয়ার মিছিল। ইংলিশ ব্যাটসম্যানরা ৭৮.২ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৫৬ রান করে। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে ব্যাটি আউট হলে নামার সুযোগ ছিল রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ফিরে যাওয়া দুই ওপেনারের। কিন্তু তারা না নামলে দ্বিতীয় দিনের ম্যাচটি ওখানেই শেষ হয়। ম্যাচটি হয় ড্র।
ইংলিশদের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেন বেন ডাকেট ৬০ ও হাসিব হামিদ ৫৭ রান। এছাড়া গ্যারি ব্যালান্স খেলেছেন অপরাজিত ৩৬ রানের ইনিংস।
বিসিবি একাদশের বোলারদের মধ্যে লেগ স্পিনার তানভীর হায়দার নিয়েছেন সর্বোচ্চ চারটি উইকেট। অন্যদের মধ্যে মোসাদ্দেক, শুভাশিষ ও তাসকিন একটি করে উইকেট নিয়েছেন।
এর আগে রবিবার ব্যাটিং করে বাংলাদেশ তাদের প্রথম ইনিংসে ৭৪.৪ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৯৪ রান সংগ্রহ করে। এদিন সকাল থেকেই ওপেনার আব্দুল মজিদ ইংলিশ বোলারদের ওপর চড়াও হন। স্টুয়ার্ট ব্রডকে দিয়ে তিনি ইনিংসের প্রথম ওভারেই বাউন্ডারি তুলে নেন। সেই ধারা অব্যাহত ছিল সেঞ্চুরি তুলে নেওয়ার আগ পর্যন্ত। যদিও ব্যক্তিগত ৯২ রানে কুঁচকিতে টান লেগে ফিরে যান ড্রেসিংরুমে। ৬ষ্ঠ ব্যাটসম্যান আউট হলে তিনি আবারও মাঠে ফেরেন। শেষ পর্যন্ত ১৬ চার ও এক ছয়ে ১০৬ রানের ইনিংস খেলে আউট হন।
তিনি ছাড়াও নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাট থেকে আসে ৭২ রান। এছাড়া মোসাদ্দেক হোসেন ৪৭ ও নুরুল হাসান ৩৯ রানের ইনিংস খেলেন।
/আরআই/এফআইআর/








