বিপিএল-এর প্রত্যেক আসরে বিতর্কিত সব কর্মকাণ্ড ঘটে। এই আসরেও এর ব্যতিক্রম ঘটছে না। মঙ্গলবার ম্যাচ শুরুর দিকে ঢাকার টিম জার্সি গায়ে চাপিয়ে ঢাকার ফ্র্যাঞ্চাইজিদের বসার নির্ধারিত স্থানে বেশকিছুক্ষণ সময় কাটিয়েছেন মুস্তাফিজ। তবে খেলতে নয়, চিয়ারলিডারের ভূমিকায় তাকে মাঠে এনেছে ঢাকা ডায়নামাইটস কর্তৃপক্ষ। এসময় তার পাশে ছিলেন ঢাকা ডায়নামাইটসের চেয়ারম্যান শায়ান এফ রহমান এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওবায়েদ নিজাম।
দলটির মিডিয়া ম্যানেজার মুঠোফোনে বিষয়টি ব্যাখ্যা দিলেন সেভাবেই। অবশ্য বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও সদস্য সচিব দুইজনের কেউই বিষয়টি জানেন না বলে জানালেন। আর ঢাকা ডায়নামাইটসের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ করলেন!
মুস্তাফিজ যে মঙ্গলবারের ম্যাচে ঢাকার হয়ে মাঠে থাকবেন এটা বোঝা যাচ্ছিল ম্যাচ শুরুর আগেই। দলটি হোটেল ছাড়ার আগে তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে মুস্তাফিজের একটি ছবি পোস্ট করে। পোস্টে লেখা ছিল এই কাটার মাস্টার মুস্তাফিজ এই আসরে আমাদের মূল সমর্থক!
সমস্যার সূত্রপাত এখন না হলেও টুর্নামেন্টের শেষ দিকে হবে-এটা এক প্রকার নিশ্চিত করেই বলা যায়। কেননা রিহ্যাব প্রক্রিয়ার শেষ দিকেই আছেন মুস্তাফিজ। ২-৩ সপ্তাহের মধ্যে মুস্তাফিজের পরিস্থিতি উন্নতির দিকে যাবে। তখন টুর্নামেন্ট শেষের দিকে ঢাকা মুস্তাফিজকে খেলাতে চাইলে অন্যদলগুলো বেঁকে বসতে পারে। তখন কী করে সামাল দেবে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল ? মুস্তাফিজ তারকা ক্রিকেটার বলেই এমন প্রশ্নে উঠাটা অস্বাভাবিক নয়।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) গত আসরে ঢাকা ডায়নামাইটসের হয়ে খেলেছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। কিন্তু ইনজুরির কারণে প্লেয়ার্স ড্রাফটেই তার নাম ছিল না। নিয়ম অনুয়ায়ী দুইজন খেলোয়াড়কে পুরনো দলগুলো রেখে দিতে পারবে। সেই হিসেবে ঢাকা ডায়নামাইটস মোসাদ্দেক হোসেন ও নাসির হোসেনকে রেখে দিয়েছিল। তাই প্রশ্ন থাকতেই পারে-মুস্তাফিজকে কোন ভূমিকায় দলে নিয়েছে তারা?
/আরএম/এফআইআর/








