দুই ইনিংস মিলিয়ে মোট ১৮.৪ ওভারের খেলায় ৯ উইকেটে জিতলো রংপুর রাইডার্স। বিপিএলের পঞ্চম ম্যাচে ৪৫ রানের জয়ের লক্ষ্য ছিল রংপুরের। মোহাম্মদ শাহজাদের উইকেট হারিয়ে ৮ ওভারে ৪৫ রান করে রংপুর। এর আগে ১০.৪ ওভারে ৪৪ রানে অলআউট হয়েছিল খুলনা টাইটানস। শাহজাদের ১৩ রানের পর সৌম্য সরকারের হার না মানা ১৩ ও মোহাম্মদ মিথুনের অপরাজিত ১৫ রান রংপুরকে এনে দেয় সহজ জয়।
এর আগে আরাফাত সানি ও শহীদ আফ্রিদির ঘূর্ণিতে বিপিএল ইতিহাসের সর্বনিম্ন ৪৪ রানে অলআউট হয় খুলনা টাইটানস। টসে জিতে বল হাতে তুলে নিয়েছিলেন রংপুর রাইডার্স অধিনায়ক নাইম ইসলাম। ৪৪ রানে যে প্রতিপক্ষকে অলআউট করতে পারবে, সেটা রংপুরেরও ভাবার কথা নয়।
দুঃস্বপ্নের সূচনা দিয়ে পথচলা শুরু খুলনার। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই অফস্পিনার সোহাগ গাজীর টার্নে পরাস্ত হয়ে বোল্ড হলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ উইকেটরক্ষক নিকোলাস পুরান। স্কোরবোর্ডে রান তখন ১। অন্য ওপেনার আবদুল মজিদ মিডউইকেটে পুশ করে রান নিতে গিয়ে সোহাগ গাজীর সরাসরি থ্রোতে রানআউট। পুরান রানের খাতা খুলতে পারেননি, ৬ রান করেছিলেন মজিদ।
ওয়ান ডাউনে রিকি ওয়েসেলস খেলছিলেন আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই। যদিও শহীদ আফ্রিদির গুগলি বুঝতে পারেননি তিনি, ৫ রানে বোল্ড হন এই ইংলিশ ব্যাটসম্যান। গত ম্যাচে দলের হাল ধরেছিলেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ, আজ তিনি হলেন ব্যর্থ। ইংলিশ পেসার রিচার্ড গ্লিসনের ইনসুইংগারে পরাস্ত হয়ে তিনি ২ রানে হন লেগ বিফোর। ১৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে খুলনা টাইটানস।
আফ্রিদির বলে এখনও যে অনেক বিষ, তা উপলব্ধি করলেন অলক কাপালি। শূন্য রানে তিনি হন লেগ বিফোর। ১৫ রানের মাথায় ৩ উইকেট হারানোর পর ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছিল কঠিন সময়ের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে খুলনা। হলোও তাই, লজ্জাজনক স্কোরের পর তাদের অসহায় আত্মসমর্পণ।
আরিফুল হকের ৭, নূর আলম সাদ্দামের ৮ রানের পর জুনায়েদ খান ও মোহাম্মদ আসগরও খুলতে পারেননি রানের খাতা। শফিউল ইসলাম ছিলেন শূন্য রানে অপরাজিত। ৩ ওভারে ১২ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন আফ্রিদি, তবে তাকেও ছাড়িয়ে যান আরাফাত সানি। ২.৪ ওভার বল করে দুটি মেডেন নিয়ে তিনি নিয়েছেন ৩টি উইকেট, অথচ রান দেনটি একটিও!
/আরএম/কেআর/








