সানি রেকর্ডবুকে নাম লেখিয়ে সংবাদ সম্মেলনে না এসে এলেন প্রেসবক্সে। কেননা আগেই সাংবাদিকরা সংবাদ সম্মেলন বয়কট করেছেন, বিসিবির নিরাপত্তাকর্মীদের বাজে আচরণের জবাবে। সংবাদ সম্মেলনে না এসে প্রেসবক্সে বসেই প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে সংবাদ সম্মেলনের অভিজজ্ঞতাটুকু কূটনৈতিকভাবেই দিলেন সানি, ‘মূল ব্যাপার হচ্ছে যেহেতু আমার প্রেস কনফারেন্সে আসতেই হবে, তো যেখানেই হোক, আমার তো কথা বলতেই হবে…।’
ঘটনাটা ম্যাচ শেষ হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই। সাংবাদিকরা নিচ তলায় অবস্থিত সংবাদ সম্মেলন কক্ষে বসেই খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলে থাকেন। তার আগে পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান চলাকালীন মঞ্চের কাছাকাছি চলে যান সাংবাদিকরা। এটাই এতদিনের নিয়ম ছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের মাঠে যেতে বাধা দেয় বিসিবির নিরাপত্তাকর্মীরা। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনীর দুই সদস্য সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। ওই নিরাপত্তা কর্মীদের গলায় কোনও ধরনের কার্ডও ছিল না। এমনকি নিজের নাম প্রকাশ করতে রাজি হয়নি তারা।
‘কেন যেতে দেওয়া হবে না?’-জানতে চাইলে নিরাপত্তাকর্মী বলেন, ‘মেজর হাসান ইমাম (বিসিবির নিরাপত্তা প্রধান) আমাদের বলে দিয়েছেন মাঠের আশেপাশে যেন কোনও ধরণের মিডিয়া কর্মী না থাকে। তাই আমরা দুঃখিত। আপনারা এর ভিতরে (মাঠের ভেতরে) কোথাও যেতে পারবেন না।’
তবে এ বিষয়ে মেজর ইমামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন। বরাবরের মত ‘অবিলম্বে এর সমাধান’ করবেন বলে আশ্বাস দিলেন সংবাদ মাধ্যমকে।
এরই মধ্যে খুলনা টাইটানসের অধিনায়ক সংবাদ সম্মেলন কক্ষের দিকে এগিয়ে আসলে উপস্থিত সাংবাদিকরা সংবাদ সম্মেলন কক্ষ বাদ দিয়ে প্রেসবক্সে চলে আসে। রংপুরের ক্রিকেটার আরাফাত সানি প্রেসবক্সে আসায় সংবাদকর্মীরা তার সঙ্গে কথা বলে নেন।
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে ইংল্যান্ড সিরিজ চলাকালে নিরাপত্তা বাহিনীর প্রধান মোহাম্মদ আলী সাংবাদিকদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন। এরপর তাকে অপসারণের দাবি জানায় সংবাদকর্মীরা। ইংল্যান্ড সিরিজের পর তাকে অপসারণ করার আশ্বাস দেওয়া হলেও এখনও বহাল আছেন বিসিবির এই নিরাপত্তা কর্মী।
/আরআই/








