মোহাম্মদ মিথুনের অর্ধশতক ও লিয়াম ডসনের ৪৬ রানের ইনিংসে বিপিএল-এ দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ১৭৫ রান করেছে রংপুর রাইডার্স।
টসে জিতে বরিশাল অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম বল হাতে তুলে নিয়েছিলেন। আশায় ছিলেন প্রতিপক্ষকে কম রানে বেঁধে ফেলার। তার সে প্রত্যাশা প্রাথমিকভাবে বাস্তবায়িতও হয়েছিল; কারণ রংপুরের দুই ওপেনার মো. শাহজাদ ও সৌম্য সরকার উভয়েই ১৪ রান করে বিদায় নেন।
সৌম্যর বিদায়ে বোলার তাইজুল ইসলামের চেয়ে অধিনায়ক মুশফিকের কৃতিত্বই বেশি। টার্নে পরাস্ত সৌম্যর পা ছিল লাইনের উপরে, পা লাইন অতিক্রম করেনি। স্টাম্পড করার পর থার্ড আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে আঙুল তোলেন ফিল্ড আম্পায়ার। মো. শাহজাদ ব্যাকফুটে স্কয়ার কাট করতে গিয়ে পয়েন্টে শাহরিয়ার নাফিসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফির যান। কিন্তু মুশফিকের পরবর্তী সব পরিকল্পনা নষ্ট করে দেন মিথুন ও লিয়াম ডসন। বিশেষ করে মিথুন ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে শাহজাদের সঙ্গে ২৫ ও তৃতীয় উইকেট জুটিতে ডসনের সঙ্গে ৭৪ রান করার পর আউট হন মিথুন। তবে এর আগে দলের ভাণ্ডারে দিয়ে যান ছয়টি চার ও দুটি ছক্কায় সাজানো ৪৪ বলে ৬২ রানের চমৎকার ইনিংস।
তবে মিথুনের বিদায়ের কোনও প্রভাব পড়তে দেননি শহীদ আফ্রিদি। নিজের খেলা চতুর্থ বলে থিসারা পেরেরাকে পুল করে মিডউউকেটের ওপর দিয়ে ছক্কা মেরে আফ্রিদি ইঙ্গিত দেন আজ বলে ব্যাটে হচ্ছে তার। ১০ বলে ২টি ছক্কা ও একটি চারে ২২ রান করে রানের চাকায় দিনি দেন বাড়তি গতি। তবে শ্রীলঙ্কান কম্বিনেশনে বিদায় নিতে হয় তাকে। থিসারা পেরেরার স্লোয়ার ডেলিভারিতে মিসটাইমিংয়ে তিনি কাভারে দিলশান মুনাবিরার হাতে ক্যাচ দেন। মাঠে বরিশাল বুলসের তৃতীয় শ্রীলঙ্কান সদস্য ছিলেন জীবন মেন্ডিস।
লিয়াম ডসন খেলেন ৩৬ বলে তিনটি চার ও একটি ছক্কায় ৪৬ রানের ইনিংস। সাচিত্রা সেনানায়েকে সাত, জিয়াউর রহমান ও সোহাগ গাজী ২ রানে অপরাজিত ছিলেন।
/আরএম/








