অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর দায়িত্বশীল ৪২ ও শেষ দিকে নিকোলাস পুরান ও কেভন কুপারের ঝড়ো ইনিংসে চিটাগং ভাইকিংসের বিপক্ষে ৮ উইকেটে ১৩১ রান করেছে খুলনা টাইটানস।
টস জিতে আগে ব্যাট করে ওপেনার তাইবুর রহমানের এক রানের বিদায়ে খুঁড়িয়ে পথচলা শুরু খুলনার। মো. নবীকে তেড়েফুড়ে মারতে গিয়ে এক রানে বোল্ড হন তিনি। ওয়ান ডাউনে নামা অলোক কাপালির অভিজ্ঞতা কোনও কাজে লাগলো না, তিন রান করার পর তিনিও ডাউন দ্য উইকেটে গিয়ে সাকলাইন সজিবের বলের লাইন মিস করলেন। তখনই ভেঙে গেল তিন কাঠির ভারসাম্য! একইভাবে শুভাগত হোম তাল মেলালেন পতনের ধারায়। শুভাশীষ রায়কে তুলে মেরে সীমানার কাছে শোয়েব মালিকের তালুবন্দী হন। তার নামের পাশে তখন যোগ হয়েছে দুই রান। ছয় রানে তিন উইকেটের পতনে খুলনার সামনে তখন বিপর্যয়ের শঙ্কা।
ভাইকিংসের স্লো মিডিয়াম পেসার ইমরান খান এরপর ফেরান রিকি ওয়েসেলসকে। সুইপ করে শর্ট ফাইন লেগে তিনি ক্যাচ দেন ক্রিস গেইলের হাতে। তবে একবার বা দুই বার নয়, তৃতীয় প্রচেষ্টায় বল হাতে রাখতে সমর্থ্য হন গেইল। বুক উরুতে লাগার পর বল লুফে তিনি থামান ১৬ বলে ২০ রান করা ওয়েসেলসকে।
দলের এমন বিপদে হাল ধরা অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর অনেকটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। যা আজকেও প্রমাণ করেন তিনি। ৪২ রানের ইনিংসে তিনি দলকে বিপদ বলয়ের বাইরে নিয়ে যান। পঞ্চম উইকেট জুটিতে আরিফুল হকের সঙ্গে ৪২ রান করেন মাহমুদউল্লাহ। ১৮ রানে আরিফুল রানআউট হওয়ার পর অধিনায়ক অবশ্য বেশিক্ষণ টেকেননি। দলীয় ৯৫ ও নিজের ৪২ রানে তাসকিনের বলে ডিপ মিডউইকেটে জাকির হাসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। তার ৩৯ বলের ইনিংসে ছিল একটি ছয় ও চারটি চার।
এরপর খুলনা বাকি পথটুকু পাড়ি দেয় দুই ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান নিকোলাস পুরান ও কেভন কুপারের ব্যাটে। কুপার ১৪ বলে ১৫ ও পুরান ১৭ বলে ১৮ রান করেন।
/আরএম/এফআইআর/








