প্রত্যাশামতোই মুস্তাফিজকে দলে রেখে দিয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ২০১৭ সালের কুড়ি ওভারের এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের আরেক প্রতিনিধি সাকিব আল হাসানেরও নড়চড় হচ্ছে না কোনও। এই অলরাউন্ডারকে ধরে রেখেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স।
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) প্রথম মৌসুমেই করলেন বাজিমাত। কাটার-জাদুতে প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের বোকা বানিয়ে উইকেট উৎসবে মেতেছেন মুস্তাফিজুর রহমান প্রায় প্রতি ম্যাচেই। আর শুধু কী উইকেট, বিস্ময় ছড়িয়ে সানরাইজার্স হায়দারবাদের শিরোপা জিতে নেওয়ায় তার অবদানটাই তো বেশি। এমন রত্নকে কি আর ছেড়ে দেয় হায়দরাবাদ। প্রত্যাশামতোই তাই মুস্তাফিজকে দলে রেখে দিয়েছে আইপিএলের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ২০১৭ সালের কুড়ি ওভারের এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের আরেক প্রতিনিধি সাকিব আল হাসানেরও নড়চড় হচ্ছে না কোনও। এই অলরাউন্ডারকে ধরে রেখেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স।
সামনের মৌসুমের জন্য আবার নিলামে পছন্দের খেলোয়াড় বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবে আইপিএলের ফ্রাঞ্চাইজিরা। তার আগে অবশ্য আগের মৌসুমে দলে থাকা খেলোয়াড়দের চাইলে ছেড়ে দেওয়ার সুযোগ ছিল দলগুলোর সবার। যেটার সবশেষ তারিখ ছিল শুক্রবার। শেষ দিনে পছন্দের খেলোয়াড়দের দলে ধরে রেখে বাকিদের ছেড়ে দিয়েছে দলগুলো। বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমিদের জানার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন সাকিব-মুস্তাফিজ। জানার ছিল গত মৌসুমের দল তাদের রেখে দেয়, নাকি নিলামের অপেক্ষায় থাকতে হয় তাদের। না, নিলামে যেতে হচ্ছে তাদের, সামনের বছরও মুস্তাফিজ খেলবেন হায়দরাবাদে, আর সাকিব কলকাতায়।
মুস্তাফিজকে নিয়ে আসলে কোনও প্রশ্নই ছিল না। হায়দরাবাদ যে তাকে ধরে রাখবে, সে নিয়ে সংশয় ছিল না কোনও। আগের মৌসুমে তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সেই তো তৈরি হয়েছিল তাদের শিরোপার পথ। ২০১৬ সালেই তিনি প্রথমবার নাম লেখান আইপিএলে। আর নেমেই নিজের আলো ছড়িয়ে দেন ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্টটিতে। সাকিব অবশ্য আইপিএল খেলছেন সেই ২০১১ সাল থেকে। তারও দলবদল হয়নি, শুরু থেকে খেলে আসছেন কলকাতার হয়ে। সেই পথটা আরও দীর্ঘ হলো সামনের মৌসুমের জন্যও কলকাতা তাকে ধরে রাখায়।
/কেআর/








