প্রতি পাঁচ বছর পর পর আইসিসি দলগুলোর পর্যালোচনা করবে। সেখানে তাদের সাফল্য-ব্যর্থতার ওপর নির্ভর করবে তাদের টেস্ট মর্যাদা থাকবে কিনা।
ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সবশেষ পূর্ণ সদস্য পদ পাওয়া দেশ বাংলাদেশ। এর পর আর কোনও দলকে যোগ করেনি ক্রিকেট বিশ্বের নিয়ন্ত্রণ সংস্থা। নতুন করে যদি কোন দেশ পায়ও, তাকে দিতে হবে কঠিন পরীক্ষা। আইসিসিরি পূর্ণ সদস্য পদ যে আর স্থায়ী থাকছে না! এতদিন যে দল একবার টেস্ট মর্যাদা পেয়েছে, তাকে আর পূর্ণ সদস্য পদ হারানো নিয়ে চিন্তা করতে হয়নি। তবে এখন থেকে মাঠের পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করবে পূর্ণ সদস্য দলগুলোর সদস্য পদ। এমন প্রস্তাবই করা হয়েছে আইসিসির সভায়।
প্রতি পাঁচ বছর পর পর আইসিসি দলগুলোকে নিয়ে পর্যালোচনায় বসবে। সেখানে তাদের সাফল্য-ব্যর্থতার ওপর নির্ভর করবে তাদের টেস্ট মর্যাদা থাকবে কিনা। এভাবে প্রতি পাঁচ বছর অন্তর দলগুলোর পরীক্ষা হবে বলে জানিয়েছে ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ‘ক্রিকইনফো’। তারা জানিয়েছে, আইসিসি পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর কাছে ই-মেইল পাঠিয়েছে, যেখানে টেস্ট মর্যাদা নিয়ে পুনর্মূল্যায়নের বিষয়টির নতুন ব্যাখ্যা দিয়েছে সংস্থাটি। একই সঙ্গে নিশ্চিত করেছে, পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে পূর্ণ সদস্য দেশগুলো পরিণত হতে পারে সদস্য দেশে।
আসলে আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডের মতো দলের জন্য টেস্ট মর্যাদার পথ খুলে দিতেই এই পরিকল্পনা করেছে আইসিসি। একই সঙ্গে জিম্বাবুয়ে, এমনকি ভুগতে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওপর চাপ প্রয়োগ করতেও হতে পারে এই পরিকল্পনা।
শুধু তা-ই নয়, এখন থেকে আইসিসিতে সদস্য দেশের ভাগ থাকবে দুটি। একটি পূর্ণাঙ্গ সদস্য পদ, অন্যটি সহযোগি দেশ। আবার পূর্ণ সদস্য দেশের ওপর যে শুধু চাপ থাকবে তা নয়, পরীক্ষা দিতে হবে সহযোগি দেশগুলোকেও। তাদের পারফরম্যান্স পর্যবেক্ষণ করা হবে দুই বছর পর পর। ক্রিকইনফো
/কেআর/








