ডিসেম্বরে পাকিস্তান সফরে যাওয়ার কথা ভারতের। যদিও দুই দেশের যা অবস্থা, তাতে সিরিজ না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তাই ওই সময়ে ভারতের জায়গায় বাংলাদেশ কিংবা শ্রীলঙ্কাকে চাইছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।
সমঝোতার স্মারক চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছিল ভারত-পাকিস্তানের। যে চুক্তির অংশ হিসেবে পাকিস্তানে খেলার কথা ভারত। এ বছরের শীতে মানে ডিসেম্বরে পাকিস্তান সফরে যাওয়ার ব্যাপারে সম্মত হয়েছিল দুই দল। কিন্তু প্রতিবেশি দুই দেশের সম্পর্কে আবার ফাটল ধরায় সফরটা না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। পিসিবি অবশ্য দেশের মাটিতে সিরিজ আয়োজন করতে বদ্ধপরিকর। শীতকালে তারা যে কোনও মূল্যে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ আয়োজন করতে চায় দেশের মাটিতে। এ জন্য ভারতের জায়গায় বাংলাদেশ কিংবা শ্রীলঙ্কাকে চাইছে এখন।
বাংলাদেশের বিপক্ষে দেশের মাটিতে পাকিস্তানের সিরিজ খেলার কথা শোনা যাচ্ছে বেশ কিছুদিন ধরেই। এমনকি পিসিবি থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে বলেও গুঞ্জন বাতাসে। এবার অবশ্য বিসিবির সঙ্গে আলোচনা করার বিষয়টি স্পষ্টই জানিয়ে দিলেন পিসিবির নির্বাহী বোর্ডের প্রধান নাজাম শেঠি, ‘আশা করছি এই শীতে আমরা বাংলাদেশ কিংবা শ্রীলঙ্কাকে দেখব পাকিস্তানে। আমরা তাদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করব। লাহোরে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ফাইনাল সফলভাবে আয়োজন করতে পারায় আমরা এখন এই আলোচনার ব্যাপারে আশাবাদী।’
২০০৯ সালে লাহোরে শ্রীলঙ্কা দলের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার পর ক্রিকেট বিশ্বের বড় কোনও দল খেলতে যায়নি পাকিস্তানে। এবার পিএসএলের ফাইনাল আয়োজন করে তাই পাকিস্তান সবাইকে বার্তা দিতে চেয়েছে যে, তাদের দেশে সব খেলোয়াড় নিরাপদ। কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটরসের বিদেশি খেলোয়াড়রা লাহোরে খেলতে অস্বীকৃতি জানানোর পরও পিসিবি ঠিকই পিএসএল আয়োজন করেছে পাকিস্তানে। সফল আয়োজনের মাধ্যমে টুর্নামেন্ট শেষ করতে পারায় নাজাম শেঠি এখন আত্মবিশ্বাসী।
পাকিস্তান ইতিমধ্যে বিসিবিকে অনুরোধ করেছে নিরাপত্তা পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর জন্য। শেঠি এটাও নিশ্চিত করেছেন শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট বোর্ড তাদের দলকে পাকিস্তানে পাঠানোর ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ কিংবা শ্রীলঙ্কার সিদ্ধান্ত যাইহোক, ডিসেম্বরে সিরিজ আয়োজনের ব্যাপারে ভীষণ আত্মবিশ্বাসী শেঠি, ‘এটা মাত্র শুরু, দেখা যাক বাংলাদেশ নাকি শ্রীলঙ্কা আসে। তবে একটা বিষয় নিশ্চিত করতে চাই, এই শীতে আমরা আন্তর্জাতিক সিরিজের আয়োজক হচ্ছি।’ পিটিআই
/কেআর/








