প্রধান কোচ ও সীমিত ওভারের অধিনায়কের সিদ্ধান্তেই ওয়ানডে স্কোয়াডে সুযোগ পেয়েছেন সাদা পোশাকে আলো ছড়ানো মেহেদী হাসান মিরাজ। বৃহস্পতিবার টিম হোটেলে দলের ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ইমার্জিং এশিয়া কাপে অংশ নিতে কলম্বো থেকে দুই দিন আগে দেশের উদ্দেশে বিমান ধরেছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। লঙ্কানদের বিপক্ষে দুটি টেস্টে অসাধারণ বোলিং করেছিলেন ডানহাতি এই অফস্পিনার। দুই টেস্ট মিলে নিয়েছেন ১০ উইকেট। সব মিলিয়ে ৭ টেস্টে তার ঝুলিতে উইকেট সংখ্যা ৩৫টি।
৫০ ওভারের ক্রিকেট সুযোগ দেওয়ার আগে মেহেদীকে নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্টের ভিন্ন পরিকল্পনা ছিল। ইমার্জিং কাপে খেলানোর মাধ্যমে টিম ম্যানেজমেন্ট বিশেষ করে হাথুরুসিংহে দেখতে চেয়েছিলেন তরুণ এই অলরাউন্ডার পারফরম্যান্স। তবে ভাগ্য বলতে হবে মিরাজের। কেননা হঠাৎই মাশরাফি এবং হাথুরুসিংহে স্কোয়াডে চেয়েছেন মিরাজকে।
এই অলরাউন্ডারকে চাওয়ার কারণও আছে যথেষ্ট। প্রস্তুতি ম্যাচে শুভাগত হোমের পারফরম্যান্স নিয়ে খুশি নয় টিম ম্যানেজমেন্ট। সে কারণেই শুভাগতর বিকল্প হিসেবে এই মুহূর্তে মিরাজকেই যোগ্য মনে করেছেন মাশরাফি ও হাথুরুসিংহে। তেমনটাই জানিয়েছেন ম্যানেজার সুজন, ‘পরিস্থিতির জন্য আসলে মিরাজকে নিয়ে আসার চিন্তা করা হয়নি। ওদের টপ অর্ডারে পাঁচ-ছয়টা বাঁহাতি ব্যাটসম্যান আছে। তাদের জন্য বাড়তি একজন ব্যাকআপ অফস্পিনার রাখা। অনুশীলন ম্যাচ শেষে কোচ ও অধিনায়ক মিরাজকে চেয়েছে, ওই সিদ্ধান্তেই ওকে নিয়ে আসা।’
গত বছর অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পালন করা মেহেদী হাসান মিরাজের লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে ২১টি। যার মধ্যে ব্যাট হাতে ৪৮১ রান করার পাশাপাশি বল হাতে নিয়েছেন ২৭ উইকেট। সব মিলিয়ে টেস্টের অভিজ্ঞতা এবং লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা দারুণভাবেই কাজে লাগাতে পারবেন বলে মনে করেন সুজন, ‘মিরাজ এই কন্ডিশনে খেলে গেছে। কন্ডিশন সম্পর্কে সে অবগত। এ জন্য ওকে ফিরিয়ে আনা।’
প্রসঙ্গত, শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশের ওয়ানডে মিশন শুরু হবে ২৫ মার্চ। এরপর ২৮ মার্চ ও ১ এপ্রিল বাকি দু’টি ওয়ানডে খেলবে সফরকারীরা। ওয়ানডে শেষে ৪ ও ৬ এপ্রিল দু’টি টি-টোয়েন্টি দিয়ে ৪০ দিনের সফর শেষ করবে মাশরাফি-মুশফিকরা।
/আরআই/কেআর/








