আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের লড়াইটা এক দশকের পুরানো। ২০০৭ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপে তাদের দ্বৈরথ শুরু। যেখানে হাবিবুল বাশারের বাংলাদেশ আইরিশদের বিপক্ষে হেরেছিল ৭৪ রানে। এরপর কেটে গেছে ১০ বছর। দুই দল একদিনের ক্রিকেটে লড়েছে আরও ৬ বার। ৭ ম্যাচে যেখানে আধিপত্য বাংলাদেশের। ৫টিতে জিতেছে তারা, আর হেরেছে ২ ম্যাচ। দলগত তো বটেই, ওয়ানডের মুখোমুখি লড়াইয়ে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সেও এগিয়ে বাংলাদেশ। ব্যাটিংয়ে তামিম ইকবাল ও বোলিংয়ে সাকিব আল হাসান শীর্ষে। ডাবলিনে ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার আগে বাংলাদেশকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে পারে পরিসংখ্যান।
মুখোমুখি লড়াই: ওয়ানডেতে ৭ বার সাক্ষাত হয়েছে বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ডের। সর্বশেষ ২০১১ সালের বিশ্বকাপ ম্যাচে, যেখানে ২০৫ রান করেও বাংলাদেশ জয় দেখেছে ২৭ রানের। আইরিশদের বিপক্ষে দেশের বাইরে ৩টি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে জয় মাত্র ১টি, ২০১০ সালে বেলফাস্টের জয়টি ছিল ৬ উইকেটের। আর ঢাকায় ৪ ম্যাচ খেলে অপরাজিত স্বাগতিকরা। সব মিলিয়ে ৫-২ এ এগিয়ে বাংলাদেশ।
সর্বোচ্চ রান: দুই দলের লড়াইয়ে সবচেয়ে শক্তিশালী স্কোরবোর্ড গড়ার কৃতিত্ব বাংলাদেশের। ২০০৮ সালে ঢাকায় সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে ৭ উইকেটে ২৯৩ রান করেছিল স্বাগতিকরা। বাংলাদেশের বিপক্ষে আয়ারল্যান্ডের সর্বোচ্চ স্কোর ৭ উইকেটে ২৪৩ রান। ২০০৭ সালে ব্রিজটাউনে যে ম্যাচটি ৭৪ রানে জিতেছিল আইরিশরা।
সর্বনিম্ন স্কোর: ওয়ানডেতে বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ডের লড়াইয়ে সর্বনিম্ন রান ১৬২। ২০০৮ সালে ঢাকায় দুই দলের প্রথম ওয়ানডেতে যেটা করেছিল আইরিশরা। দলটির বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বনিম্ন রান ১৬৯, ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে।
সবচেয়ে বেশি রান: তামিম ইকবাল শীর্ষ ব্যাটসম্যান। একটি হাফসেঞ্চুরি ও সেঞ্চুরিতে ৪৮.৫৭ গড়ে তিনি ব্যাট হাতে করেছেন ৩৪০ রান। আইরিশ অধিনায়ক উইলিয়াম পোর্টারফিল্ড সমান ম্যাচ খেলে একটি করে হাফসেঞ্চুরি ও সেঞ্চুরি করেছেন, তার রান ২৬৩।
সবচেয়ে বেশি উইকটে: বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ডের দ্বৈরথে ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি উইকেটের মালিক সাকিব আল হাসানের। বাংলাদেশি অলরাউন্ডার ৩.৮২ ইকোনমি রেটে ১১ উইকেট নেন তিনি। আইরিশদের পক্ষে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি ৪ ম্যাচে ৯ উইকেট নেওয়া ডেভ ল্যাংফোর্ড-স্মিথ, যদিও তিনি আর দলে নেই। বর্তমান দলের শীর্ষ বোলার কেভিন ও’ব্রায়েন। ৬ ইনিংসে ৪ উইকেট তার।
সেরা ব্যাটসম্যান: দুই দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সেরা ব্যাটিং পারফরম্যান্সও তামিমের দখলে। ২০০৮ সালে ঢাকায় ১৩৬ বলে ১২৯ রান করেছিলেন তিনি। আয়ারল্যান্ডের জার্সিতে সেরা পারফরম্যান্স পোর্টারফিল্ডের, ১১৬ বলে তিনি ১০৮ রান করেছিলেন বেলফাস্টে ২০১০ সালে। এ দ্বৈরথে আর একমাত্র সেঞ্চুরিয়ান বাংলাদেশের জুনায়েদ সিদ্দিকী (১০০)।
সেরা বোলার: আয়ারল্যান্ড-বাংলাদেশের লড়াইয়ের সেরা বোলার এবারের ত্রিদেশীয় সিরিজ দলে নেই। বাংলাদেশের পেসার ফরহাদ রেজার ১০-৩-৪২-৫ সেরা বোলিং ফিগার। দ্বিতীয় সেরা বোলিং ফিগার তৈরি করা শফিউল ইসলাম এবার খেলবেন। ২০১১ সালে ঢাকায় ৮ ওভারে ২১ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন বাংলাদেশের এ পেসার। সূত্র- ক্রিকইনফো
/এফএইচএম/








