আয়ারল্যান্ড এখনও টেস্ট স্ট্যাটাস পায় নি। কবে পাবে, জানা নেই কারও। আপাতত আইসিসির সহযোগী সদস্যের মর্যাদা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে দেশটিকে। কিন্তু তাই বলে এত সমস্যার সামনে যে পড়তে হবে, তা বোধহয় কল্পনাও করেননি বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা অবশ্য সব প্রতিকূলতাকে একপাশে রেখে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছেন।
এবারের আয়ারল্যান্ড সফরে এখনও পর্যাপ্ত অনুশীলন সুবিধা পায় নি বাংলাদেশ দল। অনুশীলন মাঠের উইকেটের অবস্থা যাচ্ছেতাই। বিস্ময়কর হলেও সত্যি, আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ যে মাঠে হয়েছিল, সেই ম্যালাহাইডের ড্রেসিংরুমে টেলিভিশন পর্যন্ত নেই! আসলে স্থায়ী কোনও অবকাঠামোই নেই ড্রেসিংরুমের। খাওয়া-দাওয়া নিয়েও সমস্যা হচ্ছে মাশরাফি-সাকিবদের। প্রত্যেক বেলায় ভাত আর মুরগি খেতে কী ভালো লাগে!
যে কোনও সফর শুরু হওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট বোর্ডগুলোর মধ্যে সুযোগ-সুবিধা নিয়ে একটা চুক্তি হয়। ত্রিদেশীয় সিরিজেও হয়েছে। কিন্তু আইরিশরা মনে হয় তা ভুলে বসে আছে!
মাশরাফি অবশ্য সমস্যা নিয়ে কিছু বলেন নি। বুধবার বাংলাদেশের দ্বিতীয় ম্যাচের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড। মঙ্গলবার ক্লনটার্ফ ক্রিকেট গ্রাউন্ডে প্র্যাকটিস শেষে ম্যাচটি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কূটনৈতিক ঢংয়ে মাশরাফির উত্তর, ‘অবশ্যই আমাদের প্রথম লক্ষ্য জয়। যদিও এখানে আমাদের সুযোগ-সুবিধা আপ টু দ্য মার্ক নয়। বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তবে আমরা চেষ্টা করছি, সীমাবদ্ধতার মধ্যেই যতটা সম্ভব প্রস্তুতি নেওয়ার।’
আইপিএল খেলতে ভারতে থাকায় নিউজিল্যান্ড দলে নেই মার্টিন গাপটিল, কেন উইলিয়ামসন, ট্রেন্ট বোল্ট, টিম সাউদি, কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম, মিচেল ম্যাক্লেনাগান। তবু কিউইদের ভালো দলের ‘সার্টিফিকেট’ দিতে দ্বিধা করছেন না মাশরাফি, ‘নিউজিল্যান্ড অবশ্যই ভালো দল। র্যাংকিংয়ে তারা আমাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে। ত্রিদেশীয় সিরিজে তাদের দলে কয়েকজন ভালো খেলোয়াড় নেই। তবে আমরা ওদের দেশে সবশেষ যে সিরিজ খেলেছিলাম, সেই দলের বেশিরভাগ খেলোয়াড় রয়েছে এখানে।’
/আরআই/এএআর/








