ভারতের দেওয়া ৩২৫ রানের লক্ষ্যে নেমে সাজঘরমুখী হতে শুরু করেছে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। মাত্র ১৩ ওভারে ৪৭ রানে ৭ উইকেট হারিয়েছে তারা।
বাংলাদেশের ব্যাটিং ধস শুরু হয় সৌম্য সরকারকে দিয়ে। চতুর্থ ওভারে সৌম্যকে (২) দিনেশ কার্তিকের ক্যাচ বানান উমেশ যাদব। একই ওভারে সাব্বির রহমানকে বোল্ড করেন তিনি। পরের ওভারে ইমরুল কায়েসকে ৭ রানে যাদবের ক্যাচ বানান ভুবনেশ্বর কুমার। ১১ রানে নেই ৩ উইকেট।
প্রতিরোধ গড়ার বদলে আরও উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। সপ্তম ওভারে ভুবনেশ্বর তুলে নেন সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহর উইকেট। যাদব তার চতুর্থ ওভারে মোসাদ্দেক হোসেনকে বানান কার্তিকের ক্যাচ। ২২ রানে ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
এর পর ছোটখাটো প্রতিরোধ দেখা গিয়েছিল মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজের ব্যাটে। তবে এ জুটি ২৫ রানের বেশি করতে পারেনি। মোহাম্মদ সামির বলে রবীন্দ্র জাদেজার হাতে ক্যাচ দেন মুশফিক (১৩)।
এর আগে বোলিংয়ে শুরুর সঙ্গে শেষটা মিলেনি। ২১ রানের মধ্যে ভারতের ২ উইকেট নিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ৫০ ওভার শেষে ভারতের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৩২৪ রান।
চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আগে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে মাশরাফি মুর্তজাকে বিশ্রাম দেওয়ায় ভারপ্রাপ্ত অধিনায়কত্ব পেয়েছেন সাকিব আল হাসান। টস জিতে তিনি নেন ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত। সতীর্থদের কাছে শুরুতে ভালো সাড়া পান তিনি।
২১ রানের মধ্যে ভারতের দুই নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যানকে ফেরায় বাংলাদেশ। রুবেল হোসেন তার প্রথম বলে বোল্ড করেন রোহিত শর্মাকে (১)। মোস্তাফিজুর রহমান দলীয় সপ্তম ওভারের প্রথশ বলে বোল্ড করেন আজিঙ্কা রাহানেকে (১১)।
পরে শক্ত প্রতিরোধ গড়েন শিখর ধাওয়ান ও দিনেশ কার্তিক। তাদের ১০০ রানের জুটিটি ভাঙেন সানজামুল। ধাওয়ানকে ৬০ রানে মিডউইকেটে মেহেদী হাসান মিরাজের ক্যাচ বানান তিনি। পরে কেদার যাদবের সঙ্গে কার্তিকের ৭৫ রানের জুটিটিও বিচ্ছিন্ন করেছেন সানজামুল। যাদবকে ৩১ রানে বোল্ড করেন এ বাঁহাতি স্পিনার।
৯৪ রানে রিটায়ার্ড আউট হন কার্তিক। রুবেল তার দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন রবীন্দ্র জাদেজাকে (৩২) ক্যাচ বানান সাকিবের। নিজের নবম ও ইনিংসের শেষ ওভারে তৃতীয় বলে রবীচন্দ্রন অশ্বিনকে বোল্ড করেন রুবেল। ইনিংসের দ্বিতীয় সেরা ৮০ রানে অপরাজিত ছিলেন হার্দিক পান্ডে।
/এফএইচএম/








