দ্বিতীয় দিনের পিচও শুরুতে স্পিনারদের অনুকূলে। যার পুরো সুবিধা নিলো বাংলাদেশের স্পিনাররা। আগের দিন ৩ উইকেটে ১৮ রানে শেষ করা অস্ট্রেলিয়ার স্কোরবোর্ড সোমবার দ্বিতীয় সেশনের মাঝামাঝি সময়ে হলো ৮ উইকেটে ১৪৪ রান। ২৬০ রান করা বাংলাদেশ বড় লিড নেওয়ার আভাস দিয়েছিল। কিন্তু দাঁড়িয়ে গেলেন অ্যাস্টন অ্যাগার ও প্যাট কামিন্স। তাদের জুটি ভাঙতেই পারছে না সাকিব-মিরাজ-তাইজুলরা।
৮ উইকেটে ১৯৩ রানে চা বিরতিতে গেছে অস্ট্রেলিয়া। অ্যাগার ৬৮ বলে ২২ ও কামিন্স ৮৭ বলে ২৫ রানে অপরাজিত আছেন। তাদের জুটি ৪৯ রানের।
এর আগে দুর্দান্ত শুরু করেছিল বাংলাদেশ। দিনের তৃতীয় ওভারেই মেহেদী হাসান মিরাজের স্পিনে বোল্ড হয়ে ফেরেন অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বিপজ্জনক ব্যাটসম্যান স্টিভেন স্মিথ। অধিনায়ক চলে যাওয়ার পর ৬৯ রানের জুটিতে প্রতিরোধ গড়েন পিটার হ্যান্ডসকম্ব ও ম্যাট রেনশ। তাইজুল ইসলামের ঘূর্ণিতে এলবিডাব্লিউ হয়ে মাঠ ছাড়েন হ্যান্ডসকম্ব (৩৩)। ১০২ রানে পঞ্চম উইকেট হারানোর পর আবার বাংলাদেশের অনুকূলে চলে যায় ম্যাচ। ওপেনার রেনশ কয়েকবার জীবন পেলেও সৌম্য সরকারের হাতে স্লিপে ক্যাচ তুলে দেন ৪৫ রানে। সাকিব ফেরান তাকে।
ম্যাথু ওয়েড এলবিডাব্লিউ হন ৫ রানে, মিরাজ নেন তার উইকেট। গ্লেন ম্যাক্সওয়েল বেশিদূর যেতে পারেননি। সাকিবের স্টাম্পিংয়ের শিকার তিনি ২৩ রানে। প্রতিষ্ঠিত সব ব্যাটসম্যানদের বিদায় করে দিয়ে যখন বাংলাদেশ দ্বিতীয় দিনেই ব্যাট করার আভাস পাচ্ছিল, তখন অ্যাগার-কামিন্সের বিস্ময়কর প্রতিরোধ। স্বাভাবিকভাবেই হতাশার মধ্যে পড়ে গেছে স্বাগতিকরা।








