এক দশক ধরে বাংলাদেশের সাফল্যে সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালের বিশাল অবদান। ঢাকা টেস্টে দুই বন্ধুর দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে টাইগাররা ২০ রানে হারিয়েছিল অস্ট্রেলিয়াকে। দুই ইনিংসেই হাফসেঞ্চুরি ছিল তামিমের, আর সাকিব একটি হাফসেঞ্চুরির পাশাপাশি শিকার করেছিলেন ১০ উইকেট।
চট্টগ্রাম টেস্টেও তাই দুই তারকার দিকে তাকিয়েছিল পুরো দেশ। কিন্তু বন্দরনগরীতে সাকিব-তামিমের অনুজ্জ্বল পারফরম্যান্স হতাশ করেছে টাইগারভক্তদের। বাংলাদেশও ম্যাচটা ৭ উইকেটে হেরে সিরিজ ড্র করতে বাধ্য হয়েছে।
‘সাকিব-তামিম জ্বলে উঠতে পারেননি বলেই কি বাংলাদেশের এমন হার?’ সংবাদ সম্মেলনে উঠলো প্রশ্নটা। বাংলাদেশ অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম এমন প্রশ্নে দীর্ঘ দিনের সতীর্থদের পাশেই দাঁড়ালেন, ‘ওরাও (সাকিব-তামিম) তো মানুষ। প্রতি ম্যাচে তো তামিম, সাকিব বা অন্য সিনিয়র খেলোয়াড়রা ভালো খেলতে পারবে না। তারা সব সময় পারফর্মও করবে না। অস্ট্রেলিয়া দলেও কিন্তু দুই-তিন জন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় আছে। তারা খারাপ করলে কি অস্ট্রেলিয়া হেরে যাবে? নিশ্চয়ই না। আমাদের দলের তরুণদেরও অবদান রাখার চেষ্টা করতে হবে।’
দ্বিতীয় ইনিংসে নাথান লিওনের টার্ন করে বেরিয়ে যাওয়া বলে খোঁচা মেরে ক্যাচ দিয়েছেন সাকিব। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের বিদায়ে ৪ উইকেটে ৩৯ রানে পরিণত বাংলাদেশ আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। মুশফিকের মতে, সাকিবের আউটটি ছিল পুরোপুরি দুর্ভাগ্যজনক, ‘দ্বিতীয় ইনিংসে যেভাবে আউট হয়েছে তাতে সাকিবকে আনলাকি বলতেই হবে। ও (সাকিব) ভালো খেললে ওর জন্যও ভালো, দলের জন্যও ভালো। আমরা অবশ্যই ওর পারফরম্যান্স মিস করেছি। তবে ওর ব্যর্থতা অন্যদের সামনে সুযোগ এনে দিয়েছিল। কিন্তু তারা সুযোগটা মিস করেছে।’








