লাঞ্চের পরও একই অবস্থা বাংলাদেশের। এখনও পর্যন্ত উইকেটের দেখা পায়নি টস জিতে ফিল্ডিংয়ে নামা টাইগাররা। দুই ওপেনার ডিন এলগার ও এইডেন মারক্রামের ব্যাটে ছুটছে দক্ষিণ আফ্রিকার রানের চাকা। দুজনই পূরণ করেছেন হাফসেঞ্চুরি। পচেফস্ট্রুম টেস্টের প্রথম ইনিংসে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত স্বাগতিকদের স্কোর কোনও উইকেট না হারিয়ে ১৪৬।
প্রথম সেশনে এলগার তার ৯ নম্বর হাফসেঞ্চুরি পেয়েছেন ৮৬ বলে ৫টি চারে। অন্য প্রান্তে থাকা অভিষিক্ত মারক্রামও পরে তুলে নিয়েছে তার টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম হাফসেঞ্চুরি।
সাকিব আল হাসানকে ছাড়া বাংলাদেশের এ কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় টেস্ট দলে ফেরানো হয়েছে মাহমুদউল্লাহকে। উইকেটরক্ষকেও এসেছে বদল, মুশফিকুর রহিমের বদলে গ্লাভস পরেছেন লিটন দাস। শফিউল ও মোস্তাফিজের সঙ্গে পেস আক্রমণে আছেন তাসকিন আহমেদ। দলে একমাত্র স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ।
দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে মারক্রামের সঙ্গে টেস্টে অভিষেক হয়েছে ডানহাতি পেসার অ্যান্ডিল ফেলুকোয়াইয়োর।
২০০২ সালের পর এই সেনওয়েস পার্কে দ্বিতীয়বার টেস্ট হতে যাচ্ছে। ১৫ বছর আগেও এ ভেন্যুর একমাত্র টেস্টে খেলেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা-বাংলাদেশ।
দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স একদমই ভালো নয়, বিশেষ করে টেস্ট ক্রিকেটে। আগের দুটি সফরের চারটি টেস্টেই ইনিংস ব্যবধানে হার মেনেছিল টাইগাররা। তবে এখন বাংলাদেশ বদলে যাওয়া এক দল। ঘরের মাঠে যেমন সাফল্য পাচ্ছে, তেমনি বিদেশেও ভালো খেলছে আগের চেয়ে। কয়েক বছরের ধারাবাহিক সাফল্যই আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে মুশফিকুর রহিমদের।
দক্ষিণ আফ্রিকাকে তাদের মাটিতে হারানো অসম্ভব মনে করেন না বাংলাদেশি অধিনায়ক। নিজেদের সেরাটা দিলে বিশ্বের যে কোনও দলকে হারানো সম্ভব বিশ্বাস করেন মুশফিক।
বাংলাদেশের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরসূচি:
সেপ্টেম্বর ২৮-অক্টোবর ২: প্রথম টেস্ট, পচেফস্ট্রুম
অক্টোবর ৬-১০: দ্বিতীয় টেস্ট, ব্লুমফন্টেইন
অক্টোবর ১২: প্রস্তুতি ম্যাচ, ব্লুমফন্টেইন
অক্টোবর ১৫: প্রথম ওয়ানডে, কিম্বার্লি
অক্টোবর ১৮: দ্বিতীয় ওয়ানডে, পার্ল
অক্টোবর ২২: তৃতীয় ওয়ানডে, ইস্ট লন্ডন
অক্টোবর ২৬: প্রথম টি-টোয়েন্টি, ব্লুমফন্টেইন
অক্টোবর ২৯: দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি, পচেফস্ট্রুম








