দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ বাজেভাবে হেরেছে বাংলাদেশ। গত কয়েক বছর ধরে চলমান উন্নতির ধারাটা প্রোটিয়া কন্ডিশনে ধরে রাখতে পারেনি মুশফিকুর রহিমরা। টেস্ট সিরিজের পর রবিবার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ওয়ানডে সিরিজ। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ রাখতে চায় টাইগাররা। সেই প্রত্যয়ের কথা শুনিয়েছেন সাকিব আল হাসান।
টেস্ট সিরিজে ছিলেন না তিনি। সীমিত ওভারের সিরিজ দিয়ে দলে ফিরেছেন সাকিব। প্রস্তুতি ম্যাচে এই অলরাউন্ডার ব্যাট হাতে নিজেকে ঝালিয়ে নিলেও বাংলাদেশে হেরেছে দক্ষিণ আফ্রিকা আমন্ত্রিত একাদশের বিপক্ষে। এরপরও ওয়ানডে সিরিজে আশাবাদী সাকিব। নিজেদের উন্নতির প্রমাণ দেওয়ার কথাও শুনিয়েছেন তিনি, ‘এখানে সম্পূর্ণ আলাদা পরিবেশ। যেহেতু আমরা টেস্টে ভালো খেলিনি, তাই এখানে প্রমাণ করার জায়গা। আমরা উন্নতি করছি এই জিনিসটা যেন দেখা যায়। সবার নজর ওয়ানডেতে, কেউই এই মুহূর্তে টেস্ট সিরিজ নিয়ে ভাবছে না।’
টেস্টে হারলেও ওয়ানডেতে জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে বাংলাদেশ। লক্ষ্যের কথাও জানিয়েছেন সাকিব, ‘খেলবো তো জয়ের জন্যই।’ সঙ্গে আবার সতীর্থদের প্রতি অন্য বার্তাও দিয়েছেন তিনি, ‘ফল নিয়ে চিন্তা করলে ভালো করার সম্ভাবনা কমই থাকে। মৌলিক জিনিস, যেমন ব্যাটিং করা, শুরুটা ভালো করা, ভালো যায়গায় বল করা-এসব ঠিক করতে পারলে আমাদের সম্ভাবনা বেশি থাকবে।’
উপমহাদেশের দলগুলোর জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশন সবসময়ই আলাদা। সাকিব বিষয়টি আরও একবার স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, ‘কন্ডিশন একটা বড় ব্যাপার। সব দেশের জন্য এটা একই রকম। দক্ষিণ আফ্রিকাও আমাদের দেশে গিয়ে শেষবার হেরেছে। কন্ডিশনের কারণে একটা প্রভাব তো পড়েই। সেই কারণে ভালো খেলাটা আমাদের জন্য অনেক বেশি চ্যালেঞ্জের ব্যাপার। সবাই চেষ্টা করবে সামর্থ্য অনুযায়ী খেলার।’
প্রসঙ্গত, দক্ষিণ আফ্রিকায় দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে বিশ্রামে ছিলেন সাকিব। বৃহস্পতিবার ৫০ ওভারের একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে নিজেকে ঝালাই করে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন বিশ্বের সেরা এই অলরাউন্ডার। ৯ চারে সাকিব দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৮ রানের ইনিংস খেলেন প্রস্তুতি ম্যাচটিতে।








