ঘরের মাঠে বাংলাদেশের আগামী সিরিজ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। এখনও সূচি না হলেও শ্রীলঙ্কা দলের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে ঢাকায় পা রাখার কথা। লঙ্কানদের বিপক্ষে দু্টি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে এবং দুটি টি-টোয়েন্টি খেলবে টাইগাররা।
বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা সিরিজের ম্যাচ সিলেটে আয়োজনে আগ্রহী অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। শনিবার বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, ‘এই মাঠটা এত সুন্দর, অথচ এখানে আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয় না। আশা করি, বাংলাদেশের আগামী সিরিজে এখানে ম্যাচ হবে, বিপিএলের মতো আন্তর্জাতিক ম্যাচও সফলভাবে আয়োজন করবে সিলেটবাসী।’
সিলেট স্টেডিয়ামের অবকাঠামো উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, ‘মাঠের পশ্চিম পাশের গ্যালারি দোতলা করে দিবো, অনুশীলনের জন্য একটা আউটার স্টেডিয়াম করবো, অবকাঠামো উন্নয়নে যা যা প্রয়োজন সব করে দিবো।’
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের প্রশংসা করে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান বলেছেন, ‘মাঠের আউটফিল্ড, অবকাঠামো সব কিছুই দারুণ। আশা করি, শিগগিরই এই মাঠে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজন সম্ভব হবে।’
বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা সিরিজের ম্যাচ আয়োজন সম্ভব কিনা এমন প্রশ্নে বোর্ড সভাপতি বলেছেন, 'কিছু কাজ শেষ করা জরুরি। ইনডোর প্র্যাকটিসের জায়গাটা ঠিক করা দরকার। এটার উন্নতি হলেই আসলে খেলা দেওয়া সম্ভব। আমরা আন্তরিক। আশা করি, দ্রুত এখানে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজন করতে পারবো।'
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের শহর সিলেট যে কোনও পর্যটককে আকর্ষণ করবেই। শহরটির আকর্ষণ বহু গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। লাক্কাতুরা এলাকায় সবুজের সান্নিধ্যে থাকা স্টেডিয়ামটির একদিকে টিলা, অন্যদিকে দিগন্ত বিস্তৃত চা বাগান। ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে তৈরি করা সিলেট স্টেডিয়ামের প্রশংসা অর্থমন্ত্রীর কণ্ঠেও, ‘সিলেটের সৌন্দর্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এই স্টেডিয়াম। ভবিষ্যতে এখানে অনেক অনেক ক্রিকেট ম্যাচ হবে।’
শনিবার বিপিএলের উদ্বোধনী দিনে মাঠে উপস্থিত থেকে সিলেট সিক্সার্স ও ঢাকা ডায়নামাইটসের ম্যাচ উপভোগ করেন অর্থমন্ত্রী। ম্যাচ শেষে পুরস্কার তুলে দেন বিজয়ীদের হাতে। সিলেট সিক্সার্সের ৯ উইকেটের বিশাল জয়ে তিনি উচ্ছ্বসিত।








