টানা চার ম্যাচ জেতার আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নেমেছিল খুলনা টাইটানস। টসটাও এলো নিজেদের পক্ষে। যদিও ব্যাটিংয়ে দিনটা নিজেদের হলো না বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) শীর্ষে থাকা দলটির। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বোলারদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে এলোমেলো মাহমুদউল্লাহরা। শুরুতেই পথ হারানো খুলনা শেষ পর্যন্তও পারেনি ঘুরে দাঁড়াতে, ব্যাটিং বিপর্যয়ে ১৯.২ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে স্কোরে জমা করে ১১১ রান।
রাজশাহী কিংসের বিপক্ষে সোমবারের ম্যাচেও ব্যাট হাতে কিছু করতে পারেননি রাইলি রোসো। কুমিল্লার বিপক্ষে এই ওপেনারের অবস্থা তো আরও করুণ, মুখোমুখি হওয়া নিজের প্রথম বলে সাজঘরে ফেরেন রানের খাতা খোলার আগেই। মেহেদী হাসানের ওই ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই আবার শোয়েব মালিকের আঘাত। আগের দিন ঝোড়ো ৪৯ রানের ইনিংস খেলা নাজমুল হোসেন শান্ত ৬ বলে মাত্র ৮ রান করে ফেরেন বোল্ড হয়ে।
৮ রানে ২ উইকেট হারানোর পর অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেন আগের ম্যাচের হাফসেঞ্চুরিয়ান আফিফ হোসেনকে সঙ্গী করে। যদিও রাজশাহী কিংসের বিপক্ষে হার না মানা ৫৪ রানের ইনিংস খেলা আফিফ পারেননি কুমিল্লার বিপক্ষে, ৮ রান করে ফেরেন শোয়েব মালিকের দ্বিতীয় শিকার হয়ে। পাকিস্তানি এই স্পিনারের ঘূর্ণি থামেনি, খানিক পর তিনি তুলে নেন নিকোলাস পুরানের (০) গুরুত্বপূর্ণ উইকেটটি।
এলোমেলো খুলনার বিপদ আরও বাড়ে মাহমুদউল্লাহর আউটে। দলের বিপর্যয়ে চলতি বিপিএলে সবসময় দাঁড়িয়ে যাওয়া এই অধিনায়ক এবার আর পারলেন না। ১৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের শিকার হয়ে। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়েছে খুলনা। আরিফুল হক (২৪ বলে ২৪ রান) ইনিংসের সর্বোচ্চ রান খেলে খানিক আশা জাগালেও সেটা ছিল অল্প সময়ের জন্য। শেষদিকে কাইল অ্যাবট (১৬) ও শফিউল ইসলামের (১৬) চেষ্টায় খুলনার স্কোর ১০০ পেরোয়।
কুমিল্লার সবচেয়ে সফল বোলার শোয়েব মালিক। এই স্পিনার ৩ ওভারে মাত্র ১৪ রান দিয়ে পেয়েছেন ৩ উইকেট। তার সমান ৩ উইকেট পেয়েছেন আল-আমিন হোসেন ২০ রান খরচায়।








