সবার আগে সেরা চার নিশ্চিত করেছে খুলনা টাইটানস। এখন তাদের লড়াইটা শীর্ষে ওঠার। সেই লক্ষ্যে নিজেদের ১১তম ম্যাচে টস জিতে রংপুর রাইডার্সকে ব্যাট করতে পাঠান মাহমুদউল্লাহ। ক্রিস গেইল ও ব্রেন্ডন ম্যাককালামের দলকে প্রত্যাশা পূরণ করার মতো রান করতে দেয়নি খুলনা। ৬ উইকেটে ১৪৭ রানে তারা বেধে দিয়েছে রংপুরকে।
ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারে প্রথম উইকেট হারায় রংপুর। আবু জায়েদ ভাঙেন উদ্বোধনী জুটি। জিয়াউর রহমান ৮ রানে শফিউল ইসলামকে ক্যাচ দেন। গেইলের সঙ্গে ঝড় তুলেছিলেন ম্যাককালাম। কিন্তু শফিউলের বলে মিড অনে আরিফুল হক দুর্দান্ত ক্যাচ নিয়ে ফেরান কিউই ব্যাটসম্যানকে। ১১ বলে ১৫ রান করেন ম্যাককালাম।
খানিকটা ঝড় তুলেছিলেন গেইল, কিন্তু পারেননি লম্বা ইনিংস খেলতে। ২৭ বলে চারটি চার ও দুটি ছয়ে ৩৮ রান করে মোহাম্মদ ইরফানের কাছে আউট হন ক্যারিবিয়ান তারকা। এরপর টানা তিন ওভারে ৩ ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে রংপুরের লাগাম টেনে ধরেন। জোফরা আর্চার টানা দুই ওভারে রবি বোপারা (৯) ও নাহিদুল ইসলামকে (৬) সাজঘরে পাঠান। মাঝে চামারা কাপুগেদারা (২) উইকেট দেন কার্লোস ব্র্যাথওয়েটকে।
শেষদিকে অধিনায়ক মাশরাফি মুর্তজার সঙ্গে ৪২ রানের অবিচ্ছিন জুটি গড়ার পথে ঝড়ো হাফসেঞ্চুরি করেন মোহাম্মদ মিথুন। ৩৫ বলে ২ চার ও ৪ ছয়ে ৫০ রানে অপরাজিত ছিলেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। মাশরাফি ১১ বলে ১৫ রান করেন।
খুলনার পক্ষে বল হাতে ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ২ উইকেট নেন আর্চার। এছাড়া শফিউল, জায়েদ, ইরফান ও ব্র্যাথওয়েট নেন একটি করে উইকেট।
রাইলি রোসো ও কাইল অ্যাবটের জায়গায় খুলনার একাদশে এসেছেন মাইকেল ক্লিঙ্গার ও মোহাম্মদ ইরফান। রংপুর একাদশে কোনও বদল আনেনি।
১০ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে বিপিএল টেবিলের তিন নম্বরে খুলনা। এক ম্যাচ বেশি খেলে সমান পয়েন্টে দুই নম্বরে ঢাকা ডায়নামাইটস। রংপুরকে হারাতে পারলে চ্যাম্পিয়নদের টপকে দুইয়ে উঠবে খুলনা।
সর্বশেষ ম্যাচে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে ৯ উইকেটে হেরে যায় খুলনা। আগের দেখায় রংপুরের বিপক্ষে ৯ রানে জিতেছিল তারা।








