১৮তম ওভারের শেষ বলে জোফরা আর্চার ২টি রান নিতে গিয়ে রান আউট হলেন। ঠিক তখনই খুলনা টাইটানসের ফিরে পাওয়া জয়ের আশা নিমিষেই শেষ হয়ে গেলো। আদতে খুলনার হারটাও নিশ্চিত হয় তখন। শেষ দুই ওভারে ২৫ রান প্রয়োজন হলেও তারা করতে পেরেছে ৫ রান। অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহও মনে করেন, ১১ বলে দুই ছক্কায় ১৯ রান করা জোফরার রান আউটই ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছে তাদের।
সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নটা উঠতেই হতাশা ব্যক্ত করে মাহমুদউল্লাহর উত্তর, ‘হ্যাঁ। জোফরার রান আউটটা রংপুরের জন্য টার্নিং পয়েন্ট ছিল। ওই সময়ে সে (জোফরা) খুব ভালো ব্যাটিং করছিল। আমরা জানি সে বড় শট খেলতে পারে। এই কারণে তার রান আউটটা আমাদের জন্য দুর্ভাগ্যজনক ছিল। সে যতক্ষণ ক্রিজে ছিল, আমাদের জন্য জয়ের পথটা তৈরিই ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তাকে রান আউট হতে হয়েছে।’
অবশ্য রংপুরের স্কোরবোর্ডে যথেষ্ট রান ওঠার জন্য শফিউল ইসলামের শেষ ওভারকেও দায়ি করছেন মাহমুদউল্লাহ। ইনিংসের ওই শেষ ওভারে খুলনার পেসারকে তিন ছয় মেরে ১৯ রান তোলেন রংপুরের ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ মিঠুন।
শফিউলের ওভারটি নিয়ে মাহমুদউল্লাহ বলেছেন, ‘ওভারটিকে টার্নিং বলবো না, তবে কিছুটা সম্ভাবনা ওদের দিকে চলে গেছে ওই ওভারের পর। তারপরও আমার কাছে মনে হয় বোলাররা অনেক চেষ্টা করেছে। রংপুরের মতো ব্যাটিং লাইনআপকে ১৪৭ রানে বেধে দেওয়া ছোটখাটো ব্যাপার নয়। আমি মনে করি, বোলারদের চেষ্টার কোনও কমতি ছিল না। দুর্ভাগ্যবশত মিডল অর্ডারে আমাদের ব্যাটিংটা ভালো হয়নি। এই কারণে হয়তো ম্যাচটা হাত থেকে ফসকে গেছে।’
১৪৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে রীতিমতো ঘাম ঝরেছে খুলনার ব্যাটসম্যানদের। উইকেটে ব্যাটিং করা কতটা কঠিন ছিল, এ প্রশ্নে মাহমুদউল্লাহর জবাব, ‘আমাদের উদ্বোধনী জুটি ভালো শুরু করেছিল। মাইকেল ক্লিঙ্গার ভালো ব্যাটিং করেছে। নাজমুল হোসেন শান্তও খুব ভালো ব্যাটিং করছিল। বিনা উইকেট হারিয়ে আমাদের ৬০ রান হয়েও গিয়েছিল। কিন্তু ওখান থেকে নিয়মিত বিরতিতে আমরা উইকেট হারিয়েছি। মিডল অর্ডারে বড় একটা জুটি হওয়ার দরকার ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয়নি। কোনও ওভারে ১০-১২ রান পেলে, আমরা আবার জয়ের সম্ভাবনা ফিরে পেতাম। ওটার জন্য আমরা চেষ্টাও করছিলাম। কিন্তু হলো না। আমার মনে হয়, পিচ ওতটা খারাপ ছিল না। ব্যাটিংয়ের জন্য ভালোই ছিল।’








