ওয়ানডে সিরিজে বিশ্রামে রয়েছেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। বিয়ে করবেন বলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে রাখা হয়নি তাকে। অথচ সেই অধিনায়ককে ছাড়া খেলতে নেমে ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে ভারত। মহেন্দ্র সিং ধোনির লড়াকু ইনিংসের পরেও প্রথম ওয়ানডেতে ১১২ রানে অলআউট হয়েছে স্বাগতিকরা। ধোনি বুক চিতিয়ে লড়াই না করলে হয়তো সর্বনিম্ন ইনিংসে গুটিয়ে যেতে হতো ভারতকে।
ধর্মশালায় প্রতিপক্ষটা শ্রীলঙ্কা। যারা কিনা প্রতিপক্ষকে বেশ কয়েকবারই সর্বনিম্ন ইনিংসে গুটিয়ে দেওয়ার লজ্জা উপহার দিয়েছে। টসে জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে তেমনটি আবারও করতে দেখা গেছে শ্রীলঙ্কাকে। ১৬ রানে বিদায় নেন পাঁচ স্বীকৃত ব্যাটসম্যান। টপ অর্ডারে যা কিনা তাদের ওয়ানডে ইতিহাসে ভারতের সর্বনিম্ন স্কোর! এর আগে ১৯৮৩ সালে বিশ্বকাপেও এমনটি ঘটেছিল ভারগের ভাগ্যে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সেবার তাদের স্কোর ছিল ১৭।
অবশ্য এই ধসের মূল হোঁতা ছিলেন পেসার সুরঙ্গ লাকমল। দ্বিতীয় ওভারে শিখর ধাওয়ানকে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেললে এরপর একাই ধস নামান তিনি। একে একে বিদায় দেন রোহিত শর্মা, দিনেশ কার্তিক, মনিশ পান্ডেকে। পরের উইকেটটি নেন প্রদীপ। ততক্ষণে ভারতের স্কোর ১৬ রানে ৫ উইকেট।
বাকিদের এমন অসহায় আত্মসমর্পণের পরেও ধ্বংস স্তুপে দাঁড়িয়ে লড়াই চালিয়ে যান মহেন্দ্র সিং ধোনি। তার ব্যাটে ভর করে সর্বনিম্ন রানে গুটিয়ে যাওয়ার লজ্জা থেকে কোনও মতে রক্ষা পায় ভারত। ৬৫ রানে ধোনি বিদায় নিলে ৩৮.২ ওভারে ১১২ রানে থামে ভারতের ইনিংস। এই পুঁজি লড়াইয়ের জন্য যথেষ্ট না হলেও সর্বনিম্ন রানের লজ্জা হয়তো পেতে হয়নি ভারতকে। কারণ ২৯ রানেই ভারত হারিয়ে বসেছিল ৭ উইকেট!
ধোনির ৮৭ বলের লড়াকু ইনিংসে ছিল ১০টি চার ও ২টি ছয়। লঙ্কানদের হয়ে ১০ ওভারে ১৩ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন লাকমল। দুটি নেন ফার্নান্দো, একটি করে নেন ম্যাথুস, পেরেরা, ধনঞ্জয় ও পাথিরানা।








