ত্রিদেশীয় ও শ্রীলঙ্কা সিরিজের জন্য ঘোষিত ৩২ জনের দলে জায়গা হয়নি নুরুল হাসান সোহানের। উইকেটরক্ষক হিসেবে মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস ও এনামুল হক থাকায় তিনি বাদ পড়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু।
প্রাথমিক দলে তিন উইকেটরক্ষকের কারণেই যে বাদ পড়েছেন সোহান, বিষয়টা তেমনও নয়। গত কিছুদিন ধরেই ফর্মে নেই তিনি। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) সিলেট সিক্সার্সের হয়ে ৯ ম্যাচে মাত্র ৬৫ রান এসেছে তার ব্যাট থেকে। এছাড়া ১৯তম জাতীয় লিগেও ছিলেন ব্যর্থ। ৬ ম্যাচে করেছেন মাত্র ১৪৯ রান। শেষ হতে যাওয়া বছরে মাত্র একটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন তিনি। সেটাও জানুয়ারির শুরুতে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে।
অবশ্য এবার সুযোগ না পেলেও সোহানকে চোখের আড়াল করছে না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বুধবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে সংবাদমাধ্যমকে নান্নু বলেছেন, ‘সোহানের এনসিএলের (জাতীয় ক্রিকেট লিগ) পারফরম্যান্স দেখেছি। সঙ্গে ৩২ জনের দলে উইকেটরক্ষক কয়েকজন, তাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হচ্ছে। সবকিছু মাথায় রেখেই সিদ্ধান্তটা নেওয়া হয়েছে। এমন না যে ও আমাদের নজরের বাইরে। যেহেতু ঘরোয়া ক্রিকেটে অনেক খেলা আছে, সেখানে ভালো করলে আবার ফিরে আসার সুযোগ পাবে।’
অনেকটা সময় দলের সঙ্গে থাকার পর হঠাৎ বাইরে চলে গেলে মানসিকভাবে পিছিয়ে পড়ার বিষয় থাকে। সোহানের ক্ষেত্রে এমনটা হলে তার পারফরম্যান্সেও প্রভাব পড়বে। সেদিক থেকে চিন্তা করলে বিসিবি আরও একজন ক্রিকেটারকে অন্তর্ভুক্ত করতেই পারতো। যদিও প্রধান নির্বাচকের ব্যাখ্যাটা অন্যরকম, ‘পেশাদার ক্রিকেটারের কাছে সব ফরম্যাটে খেলা কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ। সে হিসেবে পারফরম্যান্স সবার আগে দেখতে হয়। সোহানের এটা চিন্তা করা উচিত নয় যে এখানেই সব শেষ হয়ে গেছে। ওর যথেষ্ট সময় আছে। আমি মনে করি সে লড়াকু ক্রিকেটার, আবার ফিরে আসবে।’
সোহানের বাদ পড়ার বিপরীতে আবার টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান সাদমান ইসলাম প্রথমবারের মতো সুযোগ পেয়েছেন জাতীয় দলের ক্যাম্পে। তার সুযোগের ব্যাপারে নান্নুর বক্তব্য, ‘সাদমানকে আমরা নিয়েছি কারণ সে আমাদের এইচপির খেলোয়াড়। লম্বা ফরম্যাটের জন্য আমরা কিছু ওপেনারের খোঁজে আছি। আমরা এইচপিতে দেখেছি, শেষ আয়ারল্যান্ড সফরে ‘এ’ দলের সিরিজ পর্যবেক্ষণ করেছি। ওখানে যথেষ্ট ভালো করেছে সাদমান। সেটা মাথায় রেখেই তাকে প্রস্তুতি ক্যাম্পে ডেকেছি।’








