হঠাৎ করেই জাতীয় দলে ডাক পেয়েছিলেন আব্দুর রাজ্জাক। শুরুতে বিশ্বাসই হয়নি তার। কিন্তু চট্টগ্রাম টেস্টে একাদশে সুযোগ না পাওয়ায় টেস্ট খেলার আশা ফিকে হতে বসেছিল। কিন্তু ঢাকা টেস্টের একাদশ ঘোষণার পর জাতীয় দলের জার্সি আবার গায়ে দেওয়ার স্বপ্ন সত্যি হলো এই স্পিনারের।
বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডে ৫০০তম উইকেট নিয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে কীর্তি গড়েছিলেন তিনি। জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ার পর থেকেই লম্বা সংস্করণের ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্স করে যাচ্ছেন রাজ্জাক। লিগের এই পারফরম্যান্সই চার বছর পর সুযোগ করে দিয়েছে তাকে। অবশ্য সাকিব আল হাসানের ইনজুরিও তার জন্য দরজা খুলে দিয়েছিল।
বৃহস্পতিবার নিজের প্রত্যাবর্তন ম্যাচে দারুণ কিছু হলে সামনের দিনগুলো আবারও নিয়মিত হওয়ার সুযোগ থাকবে রাজ্জাকের সামনে। টস হেরে যাওয়া শুরুতেই ফিল্ডিং করার সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ। সেক্ষেত্রে রাজ্জাককে বল হাতে দেখার জন্য খুব বেশি সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না।
জাতীয় দলের হয়ে সীমিত ওভারের ক্রিকেট অনেক খেলা হলেও সাদা পোশাকে মাত্র ১২ ম্যাচ খেলেছেন রাজ্জাক, তার উইকেট ২৩টি।
দল থেকে বাদ পড়ার পরই প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিয়মিত উইকেট পাচ্ছেন ৩৫ বছর বয়সী এই স্পিনার। সব মিলিয়ে ১১৪ ম্যাচে ৫১০ উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে শীর্ষে আছেন তিনি।
টেস্ট ম্যাচে তার সেরা সাফল্য ২০০৮ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। ওইবার চট্টগ্রামে ৬৬ ওভার বল করে ১৪৪ রান দিয়ে চারটি উইকেট নেন রাজ্জাক। ইনিংস সেরা বোলিংও ওই ম্যাচে। ১৫ ওভারে ৯৩ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট।








