আগের ম্যাচে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সকে ১৩৭ রানে অলআউট করেও হারতে হয়েছিল মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবকে। চার দিন পরই তারা দাপুটে পারফরম্যান্স দেখিয়ে ফিরলো জয়ে। শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে অলরাউন্ডিং নৈপুণ্য দেখিয়ে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের চতুর্থ জয় তারা পেয়েছে ৩৮ রানে।
ফতুল্লায় আগে ব্যাট করতে নেমে চার হাফসেঞ্চুরিতে ৬ উইকেটে ৩০৬ রান করে মোহামেডান। শুরু থেকে ভালো অবস্থানে থাকলেও ঝড়ো হাফসেঞ্চুরিতে রানের গতি শেষদিকে বাড়ান সাঈদ সরকার। এরপর মোহাম্মদ আজমের পেসে ৪৮.১ ওভারে ২৬৮ রানে অলআউট হয় শাইনপুকুর।
মাত্র ৯ রানে ইরফান শুক্কুর রিটায়ার্ড হার্ট হলে দুই ভাই জনি তালুকদার ও রনি তালুকদারের ১১০ রানের জুটি শুভ সূচনা এনে দেয়। জনি ৩২ রানে আউট হওয়ার কিছুক্ষণ পর রনি ইনিংস সেরা ৭৭ রানে সাজঘরে ফেরেন।
এরপর অধিনায়ক শামসুর রহমান ও রাকিবুল হাসানের ফিফটিতে আরেকবার প্রতিরোধ গড়ে মোহামেডান। দুজন একসঙ্গে ক্রিজে থেকে ৮৮ রান যোগ করেন। ডেথ ওভারে দ্রুত ৪ উইকেট হারায় তারা। শামসুর ৬০ ও রাকিবুল ৫৫ রানে আউট হন।
এই উইকেট হারানোর মিছিলে দাঁড়িয়ে যান সাঈদ। মাত্র ২২ বলে দুটি চার ও চারটি ছয়ে ফিফটি হাঁকান তিনি। কুমিল্লার এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান ২৫ বল খেলে ৫৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। ম্যাচের সেরা এই খেলোয়াড়ের ঝুলিতে ছিল ২টি চার ও ৫টি ছয়।
শাইনপুকুরের পক্ষে সবচেয়ে বেশি ৩ উইকেট নেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।
বড় লক্ষ্যে নেমে শাইনপুকুরের ব্যাটসম্যানরা হিমশিম খেতে থাকে। তাইজুল ইসলামের স্পিনের পর আজিমের পেসে তারা ভেঙে পড়ে। কেবল শুভাগত হোম ও সাইফউদ্দিনের হাফসেঞ্চুরি কিছুটা প্রতিরোধ গড়েছিল। সাইফ সর্বোচ্চ ৬৮ রান করেন, শুভাগতর ব্যাটে আসে ঝড়ো ৫২ রান। মাত্র ৩২ বলে তিন চার ও পাঁচ ছয়ে এই রান করেন শাইনপুকুরের অধিনায়ক।
আজিম ৪৫ রানে চারটি উইকেট তুলে নেন। তাইজুল ৩ উইকেট নেন ৬৪ রান দিয়ে।
এই জয়ে ৯ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচ নম্বরে মোহামেডান। এক পয়েন্ট বেশি নিয়ে ঠিক তাদের উপরে শাইনপুকুর (১০)।








