২১৫ রানের লক্ষ্যে নেমে দুরন্ত সূচনা করেছে বাংলাদেশ। তামিম ইকবাল ও লিটন দাসের ব্যাটিং ঝড়ে ৬ ওভারে ৭৪ রান করেছে তারা।
এর আগে কুশল মেন্ডিসের ব্যাটে শুরু থেকে ঝড় তুলেছিল শ্রীলঙ্কা, যার শেষ করলেন কুশল পেরেরা। দুজনের দুর্দান্ত হাফসেঞ্চুরিতে টস জিতে ফিল্ডিং নেওয়া বাংলাদেশকে ২১৫ রানের লক্ষ্য দিলো স্বাগতিকরা। ৬ উইকেটে লঙ্কানরা করেছে ২১৪ রান।
নিদাহাস ট্রফি টি-টোয়েন্টি সিরিজে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে শনিবার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা।
শুরুটা দুর্দান্ত করেছিল শ্রীলঙ্কা। মাত্র ৪ ওভারে ৫৩ রান তোলে তারা কোনও উইকেট না হারিয়ে। পঞ্চম ওভারে দানুশকা গুনাথিলাকাকে মোস্তাফিজুর রহমান ফেরালেও কুশল মেন্ডিস ও কুশল পেরেরার ব্যাটে বড় স্কোরের পথে স্বাগতিকরা।
প্রথম ওভারে তাসকিনকে একটি করে চার ও ছয় মেরে শুভ সূচনা এনে দিয়েছেন কুশল মেন্ডিস। তার সঙ্গে উদ্বোধনী জুটিতে আছেন দানুশকা গুনাথিলাকা। পরের ওভারে মোস্তাফিজ দেন আরও ১১ রান।
তৃতীয় ওভারে বল হাতে নেন রুবেল হোসেন। এই ডানহাতি পেসারের বলে একটু দেখেশুনে খেলেছেন শ্রীলঙ্কার দুই ওপেনার, নেন মাত্র ৬ রান। তবে তাসকিন তার দ্বিতীয় ওভারে আবারও তোপের মুখে পড়েন ২২ রান দিয়ে।
ইনিংসের পঞ্চম ওভারের তৃতীয় বলে মোস্তাফিজ তার স্লোয়ার কাটারে গুনাথিলাকাকে বোল্ড করেন। ১৯ বলে তিন চার ও এক ছয়ে ২৬ রান করেন লঙ্কান ওপেনার। কুশল মেন্ডিসের সঙ্গে ক্রিজে আছেন কুশল পেরেরা।
২৬ বলে দুটি চার ও চারটি ছয়ে চার ইনিংসে তৃতীয় হাফসেঞ্চুরি করেন কুশল মেন্ডিস। মাহমুদউল্লাহ প্রথমবার বল হাতে নিয়ে তাকে ফেরান। ৩০ বলে ৫৭ রান করে কুশল মেন্ডিস প্রতিপক্ষ অধিনায়কের শিকার হন সাব্বির রহমানের ক্যাচ হয়ে। ওই ওভারেই দুটি বল খেলে দাশুন শানাকা শূন্য রানে সাব্বিরকে ক্যাচ দেন।
পরের ওভারে সাব্বির তার তৃতীয় ক্যাচ ধরেন দিনেশ চান্ডিমালের। বল করেছিলেন তাসকিন আহমেদ।
শেষ ওভারে জোড়া আঘাত করেছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। দ্বিতীয় বলে কুশল পেরেরাকে ৭৪ রানে মুশফিকুর রহিমের ক্যাচ বানান তিনি। মাত্র ৪৮ বলে ৮ চার ও ২ ছয়ে ইনিংস সেরা পারফরম্যান্স করেন কুশল পেরেরা। থিসারা পেরেরাকে এক বল বিরতি দিয়ে নাজমুল ইসলামের ক্যাচ বানান বাঁহাতি পেসার। উপুল থারাঙ্গা ১৫ বলে ৩২ রানে অপরাজিত ছিলেন।
মোস্তাফিজ ৪ ওভারে ৪৮ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট।








