দলের বিপদে ৮ নম্বরে নেমে দারুণ কয়েকটি জুটিতে সহনশীল এক ইনিংস খেললেন নাজমুল হোসেন মিলন। তার ব্যাটে ৮ উইকেটে মাত্র ২১৬ রান করে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। এত অল্প রান করেও বোলারদের নৈপুণ্যে খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতিকে ২০৪ রানে গুটিয়ে দিয়ে ১২ রানে জিতলো তারা। ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেটের সুপার লিগে টানা দ্বিতীয় জয় পেয়েছে রূপগঞ্জ।
ফতুল্লায় টস জিতে রূপগঞ্জকে ব্যাটিংয়ে পাঠানোর ফায়দা ভালোভাবে নেয় খেলাঘর। সাদ্দাম হোসেন ও তানভির ইসলামের দুই প্রান্ত থেকে বোলিংয়ে নাকানিচুবানি খেতে থাকে রূপগঞ্জ। মাত্র ৮৬ রান প্রথম ৬ উইকেট হারায় তারা। নাজমুল এসে এই বিপর্য থামান। তিনি অপরাজিত ছিলেন ৬৬ বলে ৬৩ রানে।
নাজমুলকে উপযুক্ত সঙ্গ দিয়ে দলীয় স্কোর ২০০ পার করেন মোশাররফ হোসেন (২৬), আসিফ হাসান (২০) ও মোহাম্মদ শহীদ (১৪*)। মোশাররফের সঙ্গে ৪০ রানের জুটি ছিল ম্যাচসেরা নাজমুলের। ইনিংস সেরা ৫০ রানের জুটি তিনি গড়েন আসিফকে নিয়ে। আর শহীদের সঙ্গে অপরাজিত জুটি ছিল ৪০ রানের।
সাদ্দাম ৪টি উইকেট নিয়ে খেলাঘরের সবচেয়ে সফল বোলার। তিনটি নেন তানভির।
মাত্র ২১৭ রানের লক্ষ্য দিয়েও ডেথ ওভারে বোলারদের দারুণ নৈপুণ্যে ৭ বল বাকি থাকতেই জয় নিশ্চিত করে রূপগঞ্জ।
মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ও নাজিমউদ্দিনের ব্যাটে জয়ের পথে ছিল খেলাঘর। কিন্তু মাহিদুল ৭৭ রানে ফিরতেই ম্যাচ ঘুরে যায় রূপগঞ্জের দিকে। ৪২তম ওভারে দলীয় ১৬২ রানে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হয়ে মাঠ ছাড়েন খেলাঘরের এ ওপেনার।
এরপর পারভেজ রসুলের এক ওভারে জোড়া আঘাত ও সৈয়দ রাসেলের টানা দুই ওভারে দুটি উইকেট বধে রূপগঞ্জ পায় টানটান উত্তেজনার এই জয়।
শেষ তিন ওভারে খেলাঘরের দরকার ছিল ৩২ রান, আর রূপগঞ্জের ২ উইকেট। ৪৮তম ওভারে প্রথম তিন বলে রাসেলকে টানা তিনটি চার মেরে ম্যাচে উত্তেজনা ফেরান মাসুম খান। কিন্তু ওই ওভারের শেষ বলে এক উইকেট হারায় খেলাঘর। ৪৯তম ওভারে ৬ রান দেওয়ার পর পঞ্চম বলে মাসুমকে (২৭) ফিরিয়ে জয়ের শেষ বাধা দূর করে রূপগঞ্জ।
আসিফ, রসুল, মোশাররফ ও রাসেল দুটি করে উইকেট নেন।








