স্টিভ স্মিথ, ডেভিড ওয়ার্নার ও ক্যামেরন ব্যানক্রফটের বল টেম্পারিংয়ের ঘটনার রেশ এখনও কাটেনি। এরই মধ্যে নতুন বিতর্কের শুরু হলো। ২০১১ সালের বিশ্বকাপ জয়ী ভারতের এক ক্রিকেটার ম্যাচ ফিক্সিং চক্রের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দেশটির গোয়েন্দা বিভাগের আতশী কাঁচের নিচে আছেন।
মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে ভারত ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কাকে ফাইনালে হারিয়ে ২৮ বছর পর শিরোপা পুনরুদ্ধার করে। ওই ম্যাচ নিয়ে প্রথম সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন শ্রীলঙ্কার ১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক অর্জুন রানাতুঙ্গা। ভারত-শ্রীলঙ্কার ফাইনাল নিয়ে তদন্তের দাবি জানান তিনি। এবার জানা গেল, ভারতীয় দলের একজন সদস্য ম্যাচ ফিক্সিং সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তদন্তের অধীনে। এই সিন্ডিকেট ২০১৭ সালের জুলাইয়ে রাজপুতানা প্রিমিয়ার লিগের (আরপিএল) আয়োজন করেছিল।
রিপোর্টে জানা গেছে, প্রথমে গত বছর এই টুর্নামেন্ট নিয়ে বিসিসিআইর দুর্নীতি দমন ইউনিটের (আকসু) তদন্তের অধীনে ছিল। এখন এই নিয়ে অনুসন্ধান চালাচ্ছে রাজস্থান পুলিশের সিআইডি বিভাগ। ক্লাব ক্রিকেটারদের নিয়ে আয়োজিত এই লিগ সরাসরি সম্প্রচার করে নিও স্পোর্টস।
দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের তিন ফরম্যাটেই প্রতিনিধিত্ব করা এক খেলোয়াড় এই ক্রিকেট র্যাকেটের সঙ্গে জড়িত। রাজস্থান পুলিশ তাদের সঙ্গে তার যোগসাজশ খুঁজে পেয়েছে। এই টুর্নামেন্টে তিনি মাঠের বাইরে ছিলেন।
গত জুলাইয়ে একটি হোটেল থেকে আয়োজক, খেলোয়াড়, আম্পায়ার ও জুয়াড়িসহ ১৪ জনকে ল্যাপটপ, মোবাইল, নগদ অর্থ ও ওয়াকি-টকিসহ আটক করে পুলিশ। ২০১৭ সালের নভেম্বরে মামলাটি সিআইডির কাছে গেলে ওই ১৪ জন জামিনে ছাড়া পান। এক সপ্তাহে এই লিগ থেকে ২-৩ কোটি রুপি আয় হতো।
সিআইডির এডিশনাল ডিজিপি পঙ্কজ কুমার সিং এই চক্রের সঙ্গে ভারতীয় ওই ক্রিকেটারের সম্পর্কের ব্যাপারে বিস্তারিত জানাতে চাননি। একে ‘হাই প্রোফাইল’ মামলা ধরে নিয়ে তারা এগোচ্ছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস








