গত বছর টেস্টে টানা ৭টি পঞ্চাশ ছাড়ানো ইনিংসের রেকর্ড গড়া লোকেশ রাহুল আইপিএলে দারুণ শুরু করলেন। ১১ কোটি রুপিতে কেনা এই ওপেনারের ব্যাটে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসকে হারালো কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে আইপিএলের দ্রুততম হাফসেঞ্চুরির রেকর্ডও গড়েছেন লোকেশ।
চন্ডীগড়ে রবিবার টস জিতে ফিল্ডিং নিয়ে দিল্লিকে ৭ উইকেটে ১৬৬ রানে বেধে দেয় পাঞ্জাব। এরপর লোকেশের দানবীয় ব্যাটিংয়ে ৭ বল বাকি থাকতে ৬ উইকেটে জেতে স্বাগতিকরা। ১৮.৫ ওভারে ৪ উইকেটে ১৬৭ রান করে পাঞ্জাব।
দলে ক্রিস গেইলের মতো তারকা থাকতেও ওপেনিংয়ে পাঞ্জাবের ভরসা ছিল স্থানীয় তারকা লোকেশ ও মায়াঙ্ক আগারওয়ালের ওপর। একপ্রান্ত থেকে কাঁপিয়ে দিয়েছেন ইনজুরিতে গতবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে আইপিএল থেকে বাদ পড়া এই ব্যাটসম্যান।
প্রথম ওভারে ট্রেন্ট বোলের তিন বলে কেবল ২ রান নেওয়ার পর একটি ছয় ও টানা চার মেরে শেষ করেন লোকেশ। পরের ওভারে মোহাম্মদ সামির বলে একটি ছয় ও চার হাঁকান তিনি। অমিত মিশ্রকে তো অসহায় বানিয়ে ছাড়লেন লোকেশ। ম্যাচের তৃতীয় ওভারে দুটি ছয় ও তিনটি চার মেরে আইপিএলের দ্রুততম হাফসেঞ্চুরির মালিক হন তিনি।
মাত্র ১৪ বল খেলে চারটি ছয় ও ছয়টি চারে পঞ্চাশ ছোঁন লোকেশ। টপকে যান ২০১৪ ও ২০১৭ সালে ইউসুফ পাঠান ও সুনীল নারিনের ১৫ বলের হাফসেঞ্চুরির রেকর্ডকে। তার ব্যাটিং ঝড়ে প্রথম তিন ওভারে কোনও উইকেট না হারিয়ে ৫২ রান করে পাঞ্জাব।
পরের দুই ওভারে দুই ওপেনার সাজঘরে ফিরলেও জয়ের ভিত গড়ে ওঠে দুর্দান্ত শুরুতে। আগারওয়াল ৭ রানে আউট হওয়ার পর বোল্টের বলে মাঠ ছাড়েন লোকেশ। ১৬ বলে ৫১ রানে থামেন তিনি। তার পথ অনুসরণ করে দলের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন করুন নায়ার। ৩৩ বলে ৫০ রান করেন তিনি।
ডেভিড মিলার ও মার্কাস স্তোইনিস ২৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলকে জয়ের বন্দরে নেন। মিলার ২৪ ও স্তোইনিস ২২ রানে খেলছিলেন।
পাঞ্জাবকে ১৬৭ রানের লক্ষ্য দিতে দিল্লির সেরা ইনিংস খেলেছেন অধিনায়ক গৌতম গম্ভীর। ৪২ বলে ৫ চার ও ১ ছয়ে ৫৫ রানে আউট হন তিনি। এছাড়া রিশভ পান্তর ২৮ ও ক্রিস মরিসের অপরাজিত ২৭ রান অবদান রাখে।
অভিষেক আইপিএল ম্যাচে আফগানিস্তানের স্পিনার মুজিব-উর-রহমান সর্বোচ্চ ২টি উইকেট নেন। সমান উইকেট পেয়েছেন মোহিত শর্মা। ক্রিকইনফো








