২০১৭ সালে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া সফর করেছিল বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দল। যদিও প্রতিপক্ষ দুর্বল হওয়ায় ওই সফর নিয়ে উঠেছিল প্রশ্ন। এবার তাই প্রতিপক্ষ না জেনে দল পাঠাবে না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। একই সঙ্গে ক্রিকেটারদের পাইপলাইনে বেশি করে জোর দিচ্ছে তারা।
অস্ট্রেলিয়াতে নর্দার্ন টেরিটরি ও ইংল্যান্ডে দ্বিতীয় সারির দলগুলোর বিপক্ষে খেলেছিল এইচপি দল। শক্তির দিক থেকে প্রতিপক্ষরা এইচপি দলের চেয়ে অনেক পিছিয়ে ছিল। এবার তাই সতর্ক বিসিবি। আগে প্রতিপক্ষ সম্পর্কে জেনে তবেই তারা সিদ্ধান্ত নিতে চায় এইচিপি দলের সফরের ব্যাপারে।
এখন থেকে কোনও ‘পিকনিক সফর’ হবে না বলে জানিয়েছেন বিসিবি পরিচালক ও এইচপির চেয়ারম্যান নাঈমুর রহমান দুর্জয়। ভালোমানের প্রতিপক্ষ না পেলে এইচপির সফরও হবে না বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি, “গতবার কী হয়েছে, তা আমি জানি না। এবার সায়মনের মাধ্যমে আলাপ হচ্ছে ইংল্যান্ডে। আমি জানতে চেয়েছি প্রতিপক্ষ কারা। না জেনে আন্দাজে টিম পাঠানো যাবে না। আমি মনে করি আমার প্রতিপক্ষ যদি এইচপি বা ‘এ’ দলের মানের না হয়, তাহলে আমরা সফর করব না।’
এইচপির প্রোগ্রামের মাধ্যমে ক্রিকেটারদের তৈরি করে পাইপলাইনকে সমৃদ্ধ করতে চান দুর্জয়। কারণ তার মতে, ‘একটি দেশের পাইপলাইন যত বেশি শক্ত হবে, তারা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও তত বেশি শক্তিশালী হবে। যে কোনও দেশের ক্ষেত্রেই তা প্রযোজ্য। ছেলেদের যথাযথ সুযোগ করে দিতে পারলে পাইপলাইনটা শক্তিশালী হবে।’
এইচপি প্রোগ্রামে ক্রিকেটারদের কী নিয়ে কাজ হবে, সেটাও জানিয়েছেন সাবেক এই অধিনায়ক, ‘বিশেষ কিছু পরিকল্পনা তো অবশ্যই আছে। কিছু এলাকা আছে, যেখানে জোর দিতে হবে। নিউট্রেশন একটা ফ্যাক্টর, ফিটনেস একটা ফ্যাক্টর। এই লেভেল থেকেই যদি আমরা আন্তর্জাতিক লেভেলের ফিটনেসটাকে নিতে পারি, তাহলে ভবিষ্যতে ক্রিকেটাররা ভালো করতে পারবে।’
এইচপি ক্যাম্প ঠিক কতজনের হবে, এ ব্যাপারে কিছু জানাতে না পারলেও দুর্জয় পেসারদের ক্যাম্প নিয়ে কিছু ধারণা দিয়েছেন। তার ভাষায় যা এমন, ‘সংখ্যা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। পেসারদের ক্যাম্পে হয়তো ১৪-১৫ জন থাকবে। নির্বাচকরা যাদেরকে মনে করবেন, তাদের রাখা হবে। ব্যাটসম্যান, স্পিনার সবার ক্ষেত্রেই বিষয়টি একই।’ সঙ্গে যোগ করেছেন, ‘একই সঙ্গে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের কিছু সুযোগ থাকবে। যাদের নিয়ে আবার চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে।’
এইচপি ক্যাম্পকে ঢাকার বাইরে নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা দুর্জয়ের, ‘আজ (বুধবার) একটা প্রস্তাব দিয়েছি ঢাকার বাইরে ক্যাম্প পরিচালনা করা যায় কিনা। ঢাকায় থাকলে খেলোয়াড়দের মনোযোগটা সেভাবে থাকে না।’








