রিচার্ড হ্যালসল পদত্যাগপত্রে ‘পারিবারিক কারণ’ উল্লেখ করলেও বাতাসে ভাসছিল অন্য গুঞ্জন। যদিও পদত্যাগ করার পর প্রথমবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে একই কারণ জানালেন বাংলাদেশের সাবেক ফিল্ডিং কোচ। সিনিয়র খেলোয়াড়দের সঙ্গেও যে কোনও ঝামেলা ছিল না, সেটাও জানিয়ে গেলেন মিরপুরে।
পদত্যাগ করার পর সোমবার মিরপুরে আসেন হ্যালসল। সেখানে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি।
গুঞ্জন আছে, বিসিবি সভাপতি, কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সিনিয়র ক্রিকেটাররা তার ওপর বিরক্ত ছিলেন। শ্রীলঙ্কা সিরিজ শেষে বোর্ড প্রধান কোচিং স্টাফদের সঙ্গে বলতে চাইলেও হ্যালসন কাউকে কিছু না বলেই ছুটিতে যান। সব মিলিয়ে বিসিবির সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় হ্যালসলের। যদিও বিষয়টি অস্বীকার করলেন এই ইংলিশ কোচ, ‘সিনিয়র ক্রিকেটারদের অবশ্যই নিজস্ব মতামত আছে। আমি সবসময় চেষ্টা করেছি বাংলাদেশ দলকে সেরাটা দিতে। সিনিয়র ক্রিকেটারদের কারও সঙ্গে আমার কোনও সমস্যা ছিল না। এসব নিয়ে সত্যিকার অর্থে আমার কিছু জানা নেই।’
বাংলাদেশে কী কারণে এসেছেন, তা জানাতে গিয়ে বলেছেন, ‘এসেছি ধন্যবাদ জানাতে। প্রধান নির্বাহীর সঙ্গে কথা হয়েছে, বোর্ডের অন্যদেরও ধন্যবাদ জানালাম এখানে কাটানো সময়ের জন্য। আমি যে কাজটি করতে ভালোবাসি, সেই কাজে তারা আমাকে সাহায্য করেছে।’ তাহলে চলে যাওয়া কেন- সংবাদমাধ্যমের এমন প্রশ্নে তিনি বলেছেন, ‘কারণ পুরোটাই পারিবারিক। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অনেক সময় কেড়ে নেয়, পরিবার থেকে দূরে থাকতে হয়। এটিই কারণ।’
তরুণদের কাছ থেকে ভালো ফল পেতে হলে তাদের পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার আহ্বান বাংলাদেশের বিদায়ী ফিল্ডিং কোচের, ‘পর্যাপ্ত সুযোগ ও দেখভাল করে সমর্থন দিলে তরুণদের কাছ থেকে সর্বোচ্চটা পাওয়া যাবে। যে ক্রিকেটাররা দলে নিজেদের জায়গা করতে লড়ছে, তারা খুব গুরুত্বপূর্ণ।’ সঙ্গে যোগ করলেন, ‘এই দলে একঝাঁক সিনিয়র ক্রিকেটের আছে। কিন্তু শুধু তাদের দিয়েই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে ম্যাচ জেতা যাবে না। আরও ক্রিকেটার তুলে আনতে হবে। সেটিই পরামর্শ থাকবে। সিনিয়রদের পাশাপাশি তরুণদের সামর্থ্যটা বের করে আনতে হবে।’








