দেরাদুনে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আফগানিস্তানের কাছে হারের লজ্জা পেয়েছিল বাংলাদেশ রবিবার। আবারও মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। সোমবার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। একাদশে নেই আবু জায়েদ রাহী ও আবুল হাসান। জায়গা পেয়েছেন সৌম্য সরকার ও আবু হায়দার রনি।
আগের ম্যাচে ব্যাটে-বলে ব্যর্থ হয়ে ৪৫ রানে হেরেছিলেন সাকিব আল হাসানরা।
গুরুত্বপূর্ণ এই দ্বিতীয় ম্যাচে দলের অভিজ্ঞ চার ক্রিকেটারের সামনে দলকে কক্ষপথে ফেরানোর চ্যালেঞ্জ। আফগানিস্তানের স্পিন জুজুকে তাড়াতে না পারলে এই ম্যাচে ফেরা কঠিন হবে বাংলাদেশের। তবে এটা ঠিক জয় পাওয়াটা সহজ হবে না। প্রথম ম্যাচ জিতে আফগানদের আত্মবিশ্বাস চূড়ায় রয়েছে।
সাকিব প্রথম ম্যাচ হেরে সংবাদ সম্মেলনে ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার কথা বলেছিলেন। ১৬৮ রানের চ্যালেঞ্জে খেলতে নেমে বাংলাদেশ মাত্র ১২২ রানেই থেমে গেছে। বোলারদের পারফরম্যান্স যেমনই হোক না কেন, সাকিব ব্যাটসম্যানদের পারফরম্যান্সে তুষ্ট নন। এই মুহূর্তে ব্যাটসম্যানদের আগের ম্যাচের ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া ছাড়া উপায় নেই।
তাই এই ম্যাচ জিততে হলে বোলারদের পাশাপাশি ব্যাটসম্যানদেরও বাড়তি দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হবে। বিশেষ করে তামিম ও মুশফিককে বড় ইনিংস খেলতে হবে। অধিনায়ক হিসেবে রণকৌশলে গভীরতা বাড়াতে হবে সাকিবকেও। প্রথম ম্যাচে শেষ চার ওভারে স্পিনারদের বল দেওয়ার ঝুঁকি নেননি তিনি। যদিও আবু জায়েদ রাহী ও আবুল হাসানের মতো নবীন তারকাদের দিয়ে ডেথ ওভারের ভার সামলেছেন। তার এমন কৌশল নিয়েও রয়েছে সমালোচনা। তাই শেষ ম্যাচ বাংলাদেশের ত্রুটিগুলো শুধরে নেওয়ার সুযোগ। এই অবস্থায় একাদশে বাংলাদেশ দলে দুটি পরিবর্তন আনার সম্ভাবনা রয়েছে বলে টিম ম্যানেজমেন্ট সূত্রে জানা গেছে।
বাংলাদেশ একাদশ: তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, লিটন দাস, সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), মাহমুদউল্লাহ, সাব্বির রহমান, মোসাদ্দেক হোসেন, রুবেল হোসেন, নাজমুল ইসলাম ও আবু হায়দার রনি।
আফগানিস্তান একাদশ: মোহাম্মদ শাহজাদ (উইকেটরক্ষক), উসমান ঘানি, আসগর স্তানিকজাই (অধিনায়ক), শফিকউল্লাহ, নাজিবউল্লাহ জাদরান, মোহাম্মদ নবী, সামিউল্লাহ সেনওয়ারি, রশিদ খান, মুজিব উর রহমান, করিম জানাত ও শাপুর জাদরান।








