শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের ‘এ’ দলের সিরিজে বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারের ওপর নজর রাখছেন বিসিবির নির্বাচকরা। এই চ্যালেঞ্জে প্রথম চার দিনের ম্যাচে নজর কাড়লেন মোসাদ্দেক হোসেন, আর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১০ হাজার রানের মালিক তুষার ইমরান হয়েছেন ব্যর্থ।
‘এ’ দলের এই সিরিজে নজরে আছেন জাতীয় দলে যাদের ফর্মটা কিছুটা খারাপ এবং যারা ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্স করে আসছেন। তাদের নিয়েই এই দলটি গঠন করা হয়েছে। এই সিরিজের ভালো পারফরমারদের জন্য জাতীয় দলে জায়গা পাওয়ারও সুযোগ আছে। কিন্তু প্রথম চারদিনের ম্যাচের প্রথম ইনিংসে ব্যর্থ হয়েছেন সৌম্য সরকার ও তুষাররা। তারা ব্যর্থ হলেও সেঞ্চুরি পেয়েছেন মোসাদ্দেক হোসেন।
প্রথম শ্রেণির ফর্মটা শ্রীলঙ্কার ‘এ’ দলের বিপক্ষেও ধরে রেখেছেন মোসাদ্দেক। বিসিএলের শেষ ম্যাচের দুই ইনিংসে অপরাজিত ২১ ও ১০২ রান করেছিলেন। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে লঙ্কান ‘এ’ দলের বিপক্ষে পেয়েছেন সেঞ্চুরি। এই সেঞ্চুরি হয়তো তার দিকে নির্বাচকদের নজর ফেরাতে ভূমিকা রাখবে।
কয়েক সপ্তাহ আগে ২০ ওভারের সিরিজে আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলেছেন মোসাদ্দেক। যদিও সেখানে সময়টা একদমই ভালো ছিল না। তার আগে ২০১৬ সালে সবশেষ জাতীয় দলে খেলেছেন ওয়ানডে ক্রিকেটে। চোখের ইনজুরিতে পড়েই জাতীয় দলে অনিয়মিত হয়ে পড়েন মোসাদ্দেক। জাতীয় দলে সুযোগ না পেলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্স করে যাচ্ছেন এই ব্যাটসম্যান।
তারই সবশেষ দেখা গেল বৃহস্পতিবার লঙ্কান ‘এ’ দলের বিপক্ষে দারুন ব্যাটিংয়ে। বাংলাদেশ ‘এ’ দলের অধিনায়কত্ব নিয়ে মোসাদ্দেক খেলেছেন দায়িত্বশীল এক ইনিংস। তৃতীয় দিনের শুরুতে তুষার ২৫ রানে ফিরে গেলে সাব্বির রহমানকে নিয়ে চা বিরতির আগে ১৭৪ রানের জুটি গড়েন মোসাদ্দেক।
তৃতীয় সেশনের শুরুতে মোসাদ্দেক পেয়েছেন সেঞ্চুরি। তবে দেড়শ’র ঘরে নিতে পারেননি সেটাকে। বাঁহাতি স্পিনার প্রবাথ জয়াসুরিয়ার কাছে বোল্ড হন তিনি ১৩৫ রান করে। তার ২৪৩ বলের ইনিংসে ছিল ৯ চার ও ৩ ছয়।








