গত ফেব্রুয়ারিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অভিষেক। ওয়ানডে খেলার সুযোগ পাননি, তার আগেই টেস্ট ক্রিকেটের কঠিন আঙিনায় পা রাখলেন আবু জায়েদ রাহী। অ্যান্টিগায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম একাদশে নিজের নাম দেখে নিশ্চয়ই উচ্ছ্বসিত এই তরুণ পেসার। ২৪ বছর বয়সী রাহী বাংলাদেশের ৮৮তম টেস্ট ক্রিকেটার।
অ্যান্টিগার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামের উইকেট পেস সহায়ক। তাই বাংলাদেশের একাদশে রাহী সহ তিনজন পেসার। বিপিএলে ভালো খেলে নজর কাড়া রাহী টেস্ট সিরিজের আগে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে ভালোই বোলিং করেছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রেসিডেন্টস একাদশের বিপক্ষে ৩৯ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট নিয়েছেন তিনি। দুই দিনের ম্যাচ, তাই বল করতে পেরেছেন মাত্র এক ইনিংসে।
বিপিএলের গত দুই আসরে চমৎকার পারফরম্যান্স ছিল রাহীর। গতবার খুলনা টাইটানসের জার্সিতে ১২ ম্যাচে ১৮ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। ২০১৬-১৭ মৌসুমে ২৯ উইকেট নিয়ে জাতীয় ক্রিকেট লিগের সেরা বোলার রাহীর প্রধান অস্ত্র সুইং আর ইয়র্কার। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৬২ ম্যাচে তার উইকেট সংখ্যা ১৯২, ইনিংসে ৫ উইকেট শিকার ১১ বার।
যেদিন জানলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে টেস্ট দলে সুযোগ পেয়েছেন, সেদিন বাংলা ট্রিবিউনকে রাহী বলেছিলেন, ‘টেস্ট দলে ডাক পাওয়ার অপেক্ষায় ছিলাম। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে সুযোগ পেয়ে ভালো লাগছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের উইকেট পেসারদের জন্য দারুণ সহায়ক। আশা করি, সুযোগ পেলে টেস্ট অভিষেক স্মরণীয় করে রাখবো। যদিও জানি, আমাকে কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়ে মাঠে নামতে হবে।’
সাদা পোশাকের ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে খেলার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। টেস্ট অভিষেকে জ্বলে উঠতে পারবেন রাহী?








