তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে ৩০২ রানের টার্গেট দিয়ে শুরুতে চাপে ফেলেছিল বাংলাদেশ। এভিন লুইসকে আউট করার পর বিপজ্জনক হয়ে ওঠা ক্রিস গেইলকে ফেরায় তারা। কিন্তু শিমরন হেটমায়ার ও শাই হোপের জুটি অস্বস্তিতে রেখেছিল বাংলাদেশকে। গত ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান হেটমায়ারকে ফিরিয়ে কিছুটা হলেও স্বস্তি পেল সফরকারীরা। ৩৬ ওভারে ৩ উইকেটে ১৭৩ রান ওয়েস্ট ইন্ডিজের। ক্রিজে হোপের সঙ্গে আছেন কিয়েরন পাওয়েল।
৩০২ রানের লক্ষ্যে নেমে শুরু থেকে সতর্ক ছিল স্বাগতিকরা। কিন্তু মাশরাফি মুর্তজার বলে টানা তৃতীয় ম্যাচে উইকেট হারান এভিন লুইস। ১০.১ ওভারে ৫৩ রানের জুটি গড়ে গেইলকে রেখে মাঠ ছেড়ে যান তিনি। তবে গেইল বড় বাধা হয়ে দাঁড়ান বাংলাদেশের জন্য। লুইসের সঙ্গে পঞ্চাশ ছাড়ানো জুটির পর শাই হোপকে নিয়ে ৫২ রানের জুটি গড়েন তিনি। ২২তম ওভারের পঞ্চম বলে গেইলকে মেহেদী হাসান মিরাজের ক্যাচ বানান রুবেল হোসেন।
তার আগে বড় লক্ষ্যে নেমে তৃতীয় ওভারে ১ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন লুইস। মাশরাফির পঞ্চম বলে একটি রান নিয়ে ৩৫তম ম্যাচে এই কীর্তি গড়েন তিনি। তবে ১১তম ওভারের প্রথম বলে ১৩ রানে মুশফিকুর রহিমের ক্যাচ হন এই ওপেনার। তিনি ফেরেন ৩৩ বল খেলে।
তবে গেইলের ঝড়ো হাফসেঞ্চুরিতে প্রতিরোধ গড়ে ক্যারিবিয়ানরা। ৪০ বলে ৫ চার ও ৩ ছয়ে ৪৯তম হাফসেঞ্চুরি করেন তিনি। আগের দুই ম্যাচে স্বরূপে দেখা যায়নি তাকে। সিরিজের শেষ ম্যাচে চেনা রূপে ফিরলেও রুবেল হোসেন নিজের দ্বিতীয় ওভারে থামান গেইল ঝড়। ৬৬ বলে ৬ চার ও ৫ ছয়ে ৭৩ রান করেন উইন্ডিজ ওপেনার।
১০৫ রানে ক্যারিবিয়ানরা দ্বিতীয় উইকেট হারালে হেটমায়ারকে নিয়ে দাঁড়িয়ে যান হোপ। তাদের ৬৭ রানের জুটি ভাঙেন মিরাজ। হেটমায়ারকে ৩০ রানে বোল্ড করেন তিনি।
সেন্ট কিটসে টস জিতে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। তামিমের সঙ্গে ৩৫ রানের জুটিতে মাত্র ১০ রান করে এনামুল হক আউট হন। তবে দ্বিতীয় জুটিতে ৮১ রান করে দারুণ অবদান রাখেন তামিম ও সাকিব। ৩৭ রান করে সাকিব আউট হলে তামিমের ১০৩ রানের দুর্দান্ত ইনিংস বাংলাদেশকে এনে দেয় ৬ উইকেটে ৩০১ রান। তাছাড়া মাহমুদউল্লাহ ৪৯ বলে ৫ চার ও ৩ ছয়ে ৬৭ রানে অপরাজিত ছিলেন।
মাশরাফি মুর্তজা করেন ২৫ বলে ৩৬ রান। ৪টি চার ও ১টি ছয় রয়েছে তার ইনিংসে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে দুটি করে উইকেট নেন জেসন হোল্ডার ও অ্যাশলে নার্স। ক্রিকইনফো








