জাতীয় দলের হয়ে সবশেষ খেলেছেন ২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এরপর থেকে দলের বাইরে আল-আমিন হোসেন। যদিও এই পেসারকে নিয়ে আশাবাদী হাই পারফরম্যান্স ইউনিটের (এইচপি) স্থানীয় কোচ জাফরুল এহসান।
অন্যরকম বোলিং অ্যাকশন নিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটে আবির্ভাব হয়েছিল আল-আমিনের। নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে স্বল্প সময়েই পরিণত হন দলের কার্যকরী সদস্যে। কিন্তু নানা বিতর্কে জড়িয়ে ক্যারিয়ারের সহজ পথ নিজেই করেছেন কঠিন। যার খেসারত হিসেবে অনেকটা সময় বাংলাদেশ দলের বাইরে ২৮ বছর বয়সী এই পেসার।
গত কয়েক মাস ধরে এইচপির হয়ে অনুশীলন করছেন আল-আমিন। তাই খুব কাছ থেকে তাকে দেখার সুযোগ হয়েছে এহসানের। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই এই কোচের আশা, ‘এখানে অনেক ক্রিকেটার আছে, যারা জাতীয় দলে খেলে এসেছে। সবার সঙ্গে যেভাবে কাজ করছি, সেভাবেই তার (আল-আমিন) সঙ্গে কাজ করছি। সে বাড়তি অনেক পরিশ্রম করছে। আমি তাকে নিয়ে অনেক আশাবাদী। খুব শিগগিরই ও ভালো জায়গায় ক্রিকেট খেলতে পারবে।’
একজন ভালো লেগ স্পিনার খুঁজছে বাংলাদেশ অনেক দিন ধরে। কিন্তু মিলছে না। জুবায়ের হোসেন ও তানভীর হায়দারের মধ্যে ভবিষ্যৎ দেখা হলেও দলে তারা জায়গা পাকাপোক্ত করতে পারেননি। এই দুই স্পিনার এখন এইচপির অধীনে কাজ করছেন। তাদের অগ্রগতি নিয়ে এহসান বলেছেন, ‘আমাদের কাছে বর্তমানে দুজন লেগ স্পিনার আছে। লিখন (জুবায়ের) ও তানভীর সর্বোচ্চ লেভেলে খেলে এসেছে। তানভীরের বলে খুব বেশি জোর নেই। সেই জোরটা নিয়ে কাজ হচ্ছে। আমরা আসলে যে জায়গাগুলোতে ঘাটতি আছে তাদের, সেগুলো নিয়ে কাজ করছি। ওয়াহিদ ভাই (ওয়াহিদুল গনি) তাদের নিয়ে কাজ করছেন।’
সম্প্রতি এইচপি থেকে ‘এ’ দলে সুযোগ পাওয়া শরিফুল ইসলাম ও খালেদ আহমেদ বল হাতে দারুণ করছেন। তরুণ এই দুই পেসার ভালো করাতে স্বস্তি এই কোচের কণ্ঠে, “আমাদের এখান থেকে চারজনের মতো ক্রিকেটার ‘এ’ দলে খেলছে। আয়ারল্যান্ড সফরে তারা বেশ ভালো করছে। শরিফুল ও খালেদ ভালো করছে। ধারাবাহিকভাবে এখানেও বেশ কিছু ক্রিকেটার আছে। এবাদত আছে, আল-আমিন আছে; আশা করছি সামনে যে খেলাগুলো আছে, সেখানে তারা খেলবে।”








