ওয়ানডের ওপেনিংয়ে আবারও আসছে পরিবর্তন। গত কিছুদিন তামিম ইকবালের সঙ্গী হিসেবে সৌম্য সরকার, ইমরুল কায়েস, মোহাম্মদ মিঠুন ও এনামুল হককে দেখা গেলেও এবার ফিরিয়ে আনা হচ্ছে লিটন দাসকে। নতুন পাওয়া সুযোগটা কাজে লাগাতে চান এই ব্যাটসম্যান।
২০১৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে তামিমের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নেমেছিলেন লিটন। সেটাই ছিল ওয়ানডেতে তার খেলা শেষ ম্যাচ। সব মিলিয়ে ১২ ম্যাচের ছয়টিতে ওপেনিংয়ে নামার অভিজ্ঞতা আছে ডানহাতি এই ব্যাটসম্যানের। এশিয়া কাপ দিয়ে আবারও তার ওপেনিংয়ে ফেরাটা নিশ্চিতই বলা যায়। আর এই সুযোগটা কাজে লাগাতে মুখিয়ে আছেন লিটন। বুধবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, ‘এটি আমার জন্য দারুণ এক সুযোগ। অনেক দিন থেকে ওয়ানডে দলের বাইরে, যদি সুযোগ পাই তাহলে অবশ্যই ভালো করার চেষ্টা করব।’
সেই ভালোটি কেমন? ২৩ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যানের ব্যাখ্যা, ‘পারফর্ম ছাড়া তো আর ভালো কিছু নেই। আপনারা রান চান, আমিও রান চাই। আমি রান করার সেই চেষ্টাই করব।’
২০১৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে সবশেষ ওয়ানডে খেলেছেন তিনি। ইস্ট লন্ডনের ম্যাচটিতে ওপেনিংয়ে নেমে লিটনের ব্যাট থেকে এসেছিল ৬ রান। অবশ্য ক্যারিয়ারসেরা ৩৬ রানের ইনিংসটিও ওপেনিংয়ে নেমেই করেছিলেন ২০১৫ সালে ঢাকায় ভারতের বিপক্ষে। অনেকদিন পর ওপেনিংয়ে ফেরাটাও চ্যালেঞ্জের লিটনের কাছে। নতুন করে চ্যালেঞ্জটা নিতে প্রস্তুত তিনি, ‘চ্যালেঞ্জ তো অবশ্যই থাকবে। কারণ একটি বড় ইভেন্টে যাচ্ছি। ওপেনিংয়ে পারফর্ম করাটা অবশ্যই অনেক বড় চ্যালেঞ্জের হবে। চেষ্টা করব নিজের শতভাগ দেওয়ার। সেই অনুযায়ী অনুশীলন করছি।’
১২ ম্যাচে লিটনের সর্বোচ্চ রান ৩৬। শুরুটা ভালো করেও ইনিংস বড় করতে পারছেন না তিনি। এশিয়া কাপে এই ব্যর্থতার বৃত্ত ভাঙতে পারবেন বলে আশাবাদী লিটন, ‘আউট হতে একটি বলই যথেষ্ট। এই সমস্যা নিয়েই কাজ করছি। কেবল উইকেটে টিকে থাকলেই হবে না, রানও করতে হবে। আবার রান করতে গিয়ে সহজে আউটও হওয়া যাবে না। এইসব বিষয়গুলো বিবেচনা করে কাজ করছি। কোন শট খেললে রান পাওয়া যাবে, সেগুলোই অনুশীলনের মধ্যে চেষ্টা করছি।’
ব্যাটিং কোচ নিল ম্যাকেঞ্জি দলের সঙ্গে যোগ দিয়েই ব্যাটসম্যানদের নিয়ে কাজ শুরু করেছেন। লিটনকে নিয়ে প্রথম দিন বাড়তি পরিশ্রমও করেছেন তিনি। এ ব্যাপারে লিটন বলেছেন, ‘ব্যাটিংয়ের কিছু টেকনিক নিয়ে তার সঙ্গে কথা হয়েছে। কীভাবে রান পাওয়া যায়, সেই সব আর কী।’
এশিয়া কাপে নিজেদের সম্ভাবনা নিয়ে লিটন বলেছেন, ‘এখানে প্রত্যেকটি দলই ভালো এবং আমাদের গ্রুপে যে দুটি দল আছে তারাও যথেষ্ট ভালো। আমরা চেষ্টা করব আমাদের শতভাগ দেওয়ার। জেতার জন্য অবশ্যই আমরা খেলব। আমরা তিন সাইডেই এখন ভালো দল।’








