এমন সাজানো গোছানো বিদায় ক’জনের ভাগ্যে জোটে। বাজে ফর্মের কারণে ঘোষণা দিলেন ভারতের বিপক্ষে ওভাল টেস্ট খেলেই অবসর নেবেন। সিরিজের প্রথম চার ম্যাচে একটিও হাফসেঞ্চুরি নেই যার, তিনিই ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট রাঙালেন একটি হাফসেঞ্চুরি ও সেঞ্চুরিতে। অ্যালিস্টার কুকের এমন বিদায়কে ‘রূপকথার মতো’ বললেন ক্রিকেট পাড়ার রথী-মহারথীরা।
ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ভন তার টুইটার অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, ‘এটা ছিল খুবই বিশেষ মুহূর্ত। এখানে আমরা আজ যারা ছিলাম তারা সারাজীবন এটা মনে রাখব। কুক… ১০০। এমন বিদায় তো কুকেরই প্রাপ্য। রূপকথায় এমনটা ঘটে।’
আয়ারল্যান্ডের ক্রিকেটার নিয়াল ও’ব্রায়ান আবেগে আপ্লুত, ‘ওভালে আমি বাচ্চাদের মতো কাঁদলাম। এটা স্বীকার করতে কোনও সঙ্কোচ নেই।’
এমন বিদায় বিশ্বাস করতে পারছেন না ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক কেভিন পিটারসেন, ‘কী হয়ে গেল এটা! কুক ১০০! রূপকথার মতো শেষটা। শাবাস।’
অস্ট্রেলিয়ার সাবেক নারী ক্রিকেটার মেল জনসন লিখেছেন, ‘এতগুলো মানুষের দাঁড়িয়ে হাততালি দেওয়া আমি আগে কখনও দেখিনি। ওভালের দর্শকরা দারুণ ছিল। আর কুক তো চমৎকার।’
কুকের এই ইতিহাসের অংশীদার দাবি করলেন ভারতের স্পিনার হরভজন সিং, ‘এই ইতিহাসের অংশ আমি। অভিষেকে ৯০ এর ঘরে আমি কুকের ক্যাচ ফেলেছিলাম। এখন সে এখানে। দারুণ এক লিজেন্ড সে।’
অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্রিকেটার টম মুডি বলেছেন, ‘কী দারুণভাবে বিদায় নিলেন কুক! ৩৩তম সেঞ্চুরি। এমন কিছু তার প্রাপ্য।’
ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে অভিনন্দন জানিয়েছেন কুককে, ‘খেলোয়াড় ও অধিনায়ক হিসেবে তার সব কৃতিত্ব, এই ৩৩তম টেস্ট সেঞ্চুরি- অ্যালিস্টার আমাদের দেশের হাজার হাজার ক্রিকেট খেলোয়াড় ও ভক্তদের অনুপ্রাণিত করেছে। ব্রিটিশ খেলাধুলাকে অবিস্মরণীয় করে রেখে যাচ্ছে সে এবং ভবিষ্যতের জন্য তাকে শুভকামনা।’ ক্রিকইনফো








