জাতীয় ক্রিকেট লিগে দ্বিতীয় স্তরের দুই ম্যাচে প্রথম দিন আলো ছড়িয়েছেন চট্টগ্রামের লেগস্পিনার জুবায়ের হোসেন লিখন, ঢাকা মেট্রোর ওপেনার সাদমান ইসলাম অনিক।
ঢাকা-চট্টগ্রাম বিভাগ
ঢাকা ১ রান করতেই ওপেনার আব্দুল মজিদ রিটায়ার্ড হার্ট হলেন। তারপর রনি তালুকদার ও সাইফ হাসানের ৮৩ রানের জুটিতে ঝলমলে দিন শুরু হয়েছিল ঢাকা বিভাগের। কিন্তু তাদের ব্যাটসম্যানদের কেউ নয়, ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে দিনটা নিজের করে নিলেন চট্টগ্রামের স্পিনার লিখন।
রনির ৫৯ ও তাইবুর রহমানের ৬৩ রানের ইনিংসই কেবল প্রতিরোধ গড়েছিল ঢাকার পক্ষে। ১৫৮ রানে তারা ৫ উইকেট হারালে মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে তাইবুর গড়েন ৬১ রানের জুটি। তিনি লিখনের শিকার হওয়ার পর ঢাকা ৯ রানের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারায়। তাদের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ২৩৮ রানে।
লিখন ১৬ ওভারে ৬১ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন।
লিখনের অবদানের পর ব্যাট করতে নেমে চট্টগ্রাম পড়েছে শাহাদাত হোসেনের তোপের মুখে। ঢাকার এই পেসার তার প্রথম দুই ওভারে ইরফান শুক্কুর ও অধিনায়ক মুমিনুল হককে শূন্য রানে বিদায় করেন। দিন শেষে ২ উইকেটে ২৫ রান চট্টগ্রামের। সিদ্দিকুর রহমান ২৩ ও তাসামুল হক ২ রানে অপরাজিত আছেন।
সিলেট-ঢাকা মেট্রো
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করতে নেমে স্বাগতিকরা চাপা পড়েছে ঢাকা মেট্রোর রানের পাহাড়ে। সৈকত আলী ও শামসুর রহমানের সঙ্গে একশ ছাড়ানো দুটি জুটি গড়ে দলীয় রান তিনশ’র কোটা পার করেছেন সাদমান। ২৩৮ বলে ২০ চার ও ২ ছয়ে ১৫৭ রানের অনবদ্য এক ইনিংস খেলেন তিনি।
তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ভর করে ঢাকা মেট্রো ৪ উইকেটে ৩৩২ রানে দিন শেষ করে।
প্রথম ও দ্বিতীয় জুটিতে সমান ১১২ রানের জুটি গড়েন সাদমান। সৈকত ৪২ ও শামসুর ৩৪ রানে আউট হওয়ার পর তৃতীয় ব্যাটসম্যান হয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। দলীয় ২৮৬ রানে তিনি সাজঘরে ফেরেন। তার আগে অধিনায়ক মার্শাল আইয়ুবের সঙ্গে ৬২ রানের জুটি গড়েন এই ওপেনার। মোহাম্মদ আশরাফুল ১ ও মেহরাব হোসেন জুনিয়র ২৮ রানে অপরাজিত ছিলেন।
সিলেটের পক্ষে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন শাহনূর। এছাড়া আবু জায়েদ ও এনামুল হক জুনিয়র পেয়েছেন একটি করে উইকেট।








