জয়ের খুব কাছে গিয়েও হারতে হয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে। এ যেন অমোঘ নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেটে। বড়দের ক্রিকেটই হোক কিংবা ছোটদের, গল্পটা থাকছে একই। অল্প ব্যবধানে ম্যাচ হেরে কাঁদছেন ক্রিকেটাররা, কাঁদাচ্ছেন ক্রিকেট ভক্তদের। শামীম হোসেনের মনে কষ্টটা হয়তো সবচেয়ে বেশি। ৫৯ রানের ইনিংস খেলেও দলকে জেতাতে না পেরে সংবাদ সম্মেলনে ভেঙে পড়লেন কান্নায়।
অনেক কষ্টে ২ রানে হারের যন্ত্রণা সামলে শামীম শুরু করেন কথা, ‘এমন হারের কষ্ট তো বলে বোঝানো যাবে না। আমি আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করেছিলাম ম্যাচটা শেষ করে আসার...।’ কথাটা আর শেষ করতে পারলেন না চাঁদপুর থেকে ওঠে আসা এই ক্রিকেটার, আবারও কান্নায় ভেঙে পড়লেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলন কক্ষে তখন পিনপতন নীরবতা। উপস্থিত সাংবাদিকরা শামীমকে গুছিয়ে নিতে সময় দিলেন। যদিও খুব একটা পারলেন না তিনি। কাঁপা কাঁপা গলাতেই সংবাদ সম্মেলন শেষ করলেন এই তরুণ। ম্যাচ ফিনিশের অভাবেই হারতে হয়েছে উল্লেখ্য করে শামীম বলেছেন, ‘আমার লক্ষ্য ছিল আমি ম্যাচটা শেষ করে আসব। যথেষ্ট চেষ্টা করেছি, আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করেছি। আমাদের ব্যাটসম্যানরা মোটামুটি ভালোই করেছে, কিন্তু ম্যাচ ফিনিশ করতে পারেনি। আমাদের কিছু কিছু জায়গায় ঘাটতি ছিল। এবারের অনূর্ধ্ব-১৯ দলটি নতুন। সামনে যে সব টুর্নামেন্ট হবে, আমরা চেষ্টা করব এই ছোট ছোট ভুলগুলো শুধরে নেওয়ার।’
২ রানে হারলেও ভারতকে ১৭২ রানে অলআউট করে দারুণ শুরু করেছিল বাংলাদেশের যুবারা। ব্যাটিংয়ে নামার আগে দলের পরিকল্পনা প্রসঙ্গে শামীম বলেছেন, ‘ড্রেসিং রুমে কথা হয়েছিল স্বাভাবিক ক্রিকেট খেলার। স্বাভাবিক খেলাটা খেললেই আমরা ম্যাচ জিততে পারতাম। শেষ দিকে অহেতুক কিছু ঝুঁকি নিয়ে ফেলেছি।’








