ব্যাটে বসন্ত চলছে লিটন দাসের। জাতীয় ক্রিকেট লিগে রংপুর বিভাগের এই ব্যাটসম্যান পেয়েছেন ডাবল সেঞ্চুরি। যেখানে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বাংলাদেশের দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরিতে ভেঙেছেন নিজের রেকর্ডই। তার রেকর্ডময় ইনিংসে রাজশাহীর বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়িয়েছে রংপুর। প্রথম স্তরের অন্য ম্যাচে বরিশালের বিপক্ষে সুবিধাজনক জায়গায় খুলনা।
রংপুর-রাজশাহী
প্রথম ইনিংসে সুবিধা করতে পারেননি লিটন। এশিয়া কাপের ফাইনালে দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে একা হাতে লড়াই করা এই ব্যাটসম্যান দ্বিতীয় ইনিংসেই ফিরলেন ছন্দে। এতটাই যে ডাবল সেঞ্চুরি করে থেমেছেন। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে মাত্র ৮১ রানে পূরণ করেন সেঞ্চুরি। আর ডাবল করতে বল খেলেছেন মাত্র ১৪০টি।
যাতে বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের দ্রুততম ডাবলের রেকর্ডটা নিজের করে নিয়েছেন তিনি। আগের রেকর্ডটিও ছিল লিটনের। গত এপ্রিলে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে (বিসিএল) ১৯০ বলে ডাবল সেঞ্চুরি করে রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। আর এবার ১৪০ বলে নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙলেন এই ওপেনার।
রাজশাহীর বোলারদের ওপর ঝড় বইয়ে টি-টোয়েন্টি ধাঁচে করেছেন ব্যাট। চমৎকার সব শটে সাজিয়েছেন ডাবল সেঞ্চুরির ইনিংসটি। শেষ পর্যন্ত ২০৩ রানে লিটন থামেন তাইজুল ইসলামের শিকার হয়ে। ১৪২ বলের ইনিংসটি তিনি সাজান ৩২ চার ও ৪ ছক্কায়।
উদ্বোধনী জুটিতে জাহিদ জাবেদের সঙ্গে লিটন গড়েন ৯৮ রানের জুটি। জাবেদ আউট হন ৩৫ রানে। এরপর মাহমুদুল হাসানের সঙ্গে এই ওপেনার গড়েন ২১৫ রানের বড় জুটি। মাহমুদুল অপরাজিত আছেন ৭২ রানে।
এর আগে রাজশাহী রান পাহাড় গড়ে ঘোষণা করে তাদের প্রথম ইনিংস। নাজমুল হোসেন শান্ত (১৭৩), মিজানুর রহমান (১৬৫) ও জুনায়েদ সিদ্দিকীর (১০০*) সেঞ্চুরিতে তারা ৪ উইকেটে করে ৫৮৯ রান।
বরিশাল-খুলনা
জিয়াউর রহমানের সেঞ্চুরিতে বরিশালের বিপক্ষে লিড নিয়েছে খুলনা। টপ অর্ডার ব্যর্থ হলেও লোয়ার মিডল অর্ডারে জিয়াউরের সেঞ্চুরি ও মোহাম্মদ মিঠুনের হাফসেঞ্চুরি এনে দিয়েছে ৫০ রানের লিড। তৃতীয় দিন শেষ করেছে খুলনা ৭ উইকেটে ৩৪৯ রানে।
বরিশাল তাদের প্রথম ইনিংসে অলআউট হয় ২৯৯ রানে। বরিশালের বোলারদের সামনে সুবিধা করতে পারেননি খুলনার টপ অর্ডার। দুই ওপেনার ইমরুল কায়েস (৬) ও এনামুল হক (৬) ফিরে যান দ্রুত। সৌম্য সরকার (৩৩) ও তুষার ইমরান (৩১) ভালো শুরুর পরও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি।
৮৮ রানে ৫ উইকেট হারানো খুলনাকে টেনে তোলেন জিয়াউর ও মিঠুন। ৭২ রানের ইনিংস খেলেছেন মিঠুন। তিনি সেঞ্চুরি মিস করলেও জিয়াউর ভুল করেননি। চমৎকার ব্যাটিংয়ে পূরণ করেন শতক। শেষ পর্যন্ত ২৪৬ বলে খেলেন ১১২ রানে ঝলমলে ইনিংস।








