২৪তম ওভারে প্রথম উইকেট হারাল বাংলাদেশ। লিটন দাস বিদায় নিয়েছেন ১৭ রানের আক্ষেপ নিয়ে। এই ওপেনারকে ফিরিয়ে জিম্বাবুয়ে তুলে নেয় স্বাগতিকদের আরও একটি উইকেট। ফজলে রাব্বি স্টাম্পিংয়ের শিকার হন। এক ম্যাচ হাতে রেখে সিরিজ জেতার লক্ষ্যে ৩০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১৬৭ রান করেছে স্বাগতিকরা। ক্রিজে ইমরুল কায়েসের সঙ্গে আছেন মুশফিকুর রহিম।
এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি করেন লিটন দাস। দেশের মাটিতে প্রথমবার সেঞ্চুরি উদযাপনের সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পারলেন না।
সিকান্দার রাজার বলে কভারে জোরালো শট খেলতে গিয়ে তিরিপানোর ক্যাচ হন লিটন। ৭৭ বলে ১২ চার ও ১ ছয়ে ৮৩ রান করেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ইমরুল কায়েসের সঙ্গে ১৪৮ রানের জুটিতে জয়ের ভিত গড়ে দিয়ে আউট হয়েছেন লিটন। পরের ওভারে সিকান্দার আউট করেন রাব্বিকে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুটি ম্যাচ খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি রাব্বি।
লিটনের পর ইমরুলের হাফসেঞ্চুরি
২৪৭ রানের লক্ষ্যে দুরন্ত গতিতে ছুটে চলছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে লিটন দাস আগে, তারপর ইমরুল কায়েস হাফসেঞ্চুরি করেছেন। তাদের একশ ছাড়ানো জুটিতে সহজ জয়ের ইঙ্গিত পাচ্ছে বাংলাদেশ।
লক্ষ্যে নেমে ইনিংসের চতুর্থ বলে রিভিউ নিয়ে জীবন পান লিটন। কাইল জার্ভিসের বলে জিম্বাবুয়ের এলবিডাব্লিউর আবেদনে আউট দেন আম্পায়ার। তবে তার সিদ্ধান্ত পাল্টে যায় বাংলাদেশ রিভিউ নিলে। উদ্বোধনীতে তার সঙ্গে আছেন ইমরুল কায়েস।
প্রথম ওভারে ২ রান নিলেও পরের ওভারে পরপর দুটি বাউন্ডারিতে রানের গতি বাড়ান লিটন। ৪৬ বলে ৮ চার ও ১ ছয়ে ফিফটি করেন এশিয়া কাপ ফাইনালের সেঞ্চুরিয়ান। তার সঙ্গে সমানতালে ব্যাট চালাতে থাকেন ইমরুল। লিটনের পর এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানও পান হাফসেঞ্চুরি। প্রথম ম্যাচের সেরা ব্যাটসম্যান ৫৭ বলে করেন ফিফটি।
সিরিজ জিততে বাংলাদেশের দরকার ২৪৭ রান
ওয়ানডে সিরিজে টিকে থাকার লড়াইয়ে জিম্বাবুয়ের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা ঝলমলে ইনিংস খেলেন। কিন্তু ডেথ ওভারে বাংলাদেশের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ৭ উইকেটে ২৪৬ রানে থামে তারা।
চট্টগ্রামে টস জিতে ফিল্ডিং নিয়ে ১৮ রানে জিম্বাবুয়ের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। অধিনায়ক হ্যামিলটন মাসাকাদজাকে ফেরান তিনি। তারপর ব্রেন্ডন টেলর ও কেপাস ঝুয়াওয়ের ৫২ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় জিম্বাবুয়ে।
টেলর সবচেয়ে উপযুক্ত সঙ্গ পান শন উইলিয়ামসের কাছ থেকে। ৭৭ রান যোগ করেন দুজন। ৫২ বলে ৫০ রান করা টেলর সেঞ্চুরির দেখা পাননি। ৭৫ রানে তাকে এলবিডাব্লিউ করেন মাহমুদউল্লাহ।
তার সিকান্দার রাজা ৪১ রানের দুটি জুটি গড়েন উইলিয়ামস ও পিটার মুরের সঙ্গে। উইলিয়ামস ৪৭ রানে সাইফের দ্বিতীয় শিকার হন। সিকান্দারকে ৪৯ রানে ফেরান মাশরাফি মুর্তজা। টানা তিন ওভারে ৩ উইকেট হারায় সফরকারীরা।
সাইফ ১০ ওভারে ৪৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস সেরা বোলিং করেন। একটি করে উইকেট নেন মাশরাফি, মোস্তাফিজুর রহমান, মেহেদী হাসান মিরাজ ও মাহমুদউল্লাহ।








