জাতীয় ক্রিকেট লিগে (এনসিএল) দ্বিতীয় স্তরের চতুর্থ রাউন্ডের খেলায় জয়ের সুবাস পাচ্ছে চট্টগ্রাম ও ঢাকা মেট্রো। বোলারদের দাপটে শেষ দিনে ঢাকা বিভাগের বিপক্ষে জিততে চট্টগ্রামের দরকার ৮৯ রান। আর সিলেট বিভাগের বিপক্ষে ঢাকা মেট্রোর চাই ১৬৯ রান।
ঢাকা বিভাগ-চট্টগ্রাম বিভাগ
ঢাকা বিভাগকে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১৫১ রানে গুটিয়ে দিয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগ। তাতে জয়ের জন্য তাদের লক্ষ্য ঠিক হয় ২০২ রান। যে লক্ষ্যে খেলতে নেমে তৃতীয় দিন শেষে চট্টগ্রাম ২ উইকেট হারিয়ে করে ফেলেছে ১১৩ রান। শেষ দিনে তাদের চাই ৮৯ রান।
২০২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে চট্টগ্রামের শুরুটা ভালো ছিল না। ঢাকা বিভাগের দুই বোলার সালাউদ্দিন শাকিল ও শুভাগত হোমের বোলিংয়ের সামনে ২২ রানে তারা হারায় ২ উইকেট। ১ রান করে সাদিকুর রহমান ও ৪ রানে ফিরে যান পিনাক ঘোষ।
দুই ওপেনার দ্রুত বিদায় নেওয়ার পর শুরু হয় মুমিনুল হক ও তাসামুল হকের প্রতিরোধ। তৃতীয় উইকেটে ৯১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে শেষ করেছেন তারা দিনের খেলা। হাফসেঞ্চুরি পূরণ করে মুমিনুল অপরাজিত আছেন ৬২ রানে। তার সঙ্গে শেষ দিনের খেলা শুরু করবেন ৪৬ রানে অপরাজিত থাকা তাসামুল।
সিলেট বিভাগ-ঢাকা মেট্রো
জয়ের সুবাস পাচ্ছে ঢাকা মেট্রো। তাদের সমীকরণটা একটু কঠিন, সিলেটের বিপক্ষে শেষ দিনে তাদের করতে হবে ১৬৯ রান। যদিও হাতে আছে ৯ উইকেট। ১৯৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ঢাকা মেট্রো ১ উইকেটে করেছে ২৮ রান।
৩০০ রানে শেষ হয় ঢাকা মেট্রোর প্রথম ইনিংস। এরপর বল হাতে নিয়ে সিলেটকে বেশিদূর যেতে দেয়নি তারা। ঢাকা মেট্রোর পেসার কাজী অনিকের সামনে দ্বিতীয় ইনিংসে গুটিয়ে যায় ১৮৪ রানে। সর্বোচ্চ ৩৬ রান আসে এনামুল হক জুনিয়রের ব্যাট থেকে।
কাজী অনিক ৫৭ রান খরচায় পেয়েছেন ৫ উইকেট। বল হাতে আলো ছড়িয়েছেন শহীদুল ইসলামও। ২৯ রান দিয়ে তার শিকার ৩ উইকেট।
১৮৪ রানে সিলেট বিভাগকে অলআউট করার পর ঢাকা মেট্রোর লক্ষ্য ঠিক হয় ১৯৭ রানের। সেই লক্ষ্যে খেলতে নেমে তৃতীয় দিন শেষ করেছে ঢাকা মেট্রো ১ উইকেটে ২৮ রানে। শেষ দিনে জয়ের জন্য তাদের চাই ১৬৯ রান।
ওপেনার সৈকত আলীর (৫) আউটের পর অপরাজিত আছেন সাদমান ইসলাম (১১*) ও শামসুর রহমান (৭*)।








