প্রথম বলে লিটন দাসের আউটে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। শুরুর ওই ধাক্কা কাটিয়ে অবশ্য স্বস্তি ফিরিয়েছেন ইমরুল কায়েস ও সৌম্য সরকার। তাদের ব্যাটে ভর দিয়ে লক্ষ্যের পথে এগিয়ে চলেছে স্বাগতিকরা। তৃতীয় ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের করা ২৮৬ রানের জবাবে বাংলাদেশের স্কোর ৭ ওভারে ১ উইকেটে ৫২ রান।
প্রথম বলেই লিটন আউট
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২৮৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। ইনিংসের প্রথম বলেই এলবিডাব্লিউ হয়ে ফিরে গেছেন লিটন দাস। স্কোরবোর্ডে রান যোগ হওয়ার আগেই স্বাগতিকরা হারায় প্রথম উইকেট।
চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ইনিংস বিরতি শেষে দর্শকরা ঠিকঠাক বসারও সুযোগ পেল না, তার আগেই কাইল জার্ভিসের বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে গেলেন লিটন। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের এলবিডাব্লিউয়ের আবেদনে আম্পায়ার আউট দিলেও এই ওপেনার বেঁচে গিয়েছিলেন রিভিউ নিয়ে। এবারও রিভিউ নিলেন তিনি, তাতে অবশ্য শেষ রক্ষা হলো না। এলবিডাব্লিউয়ের শিকার হয়ে তাকে ফিরতে হলো শূন্য রানে।
বাংলাদেশকে করতে হবে ২৮৭
চট্টগ্রামে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে কঠিন লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে জিম্বাবুয়ে। জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে শন উইলিয়ামসের সেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ৫০ ওভারে জিম্বাবুয়ে ৫ উইকেটে করেছে ২৮৬ রান।
অসাধারণ এক ইনিংস খেললেন শন উইলিয়ামস। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে খেলেছেন ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস। সময় উপযোগী ব্যাটিংয়ে তিনি অপরাজিত ছিলেন ১২৯ রানে। ১৪৩ বলের ইনিংসটি উইলিয়ামস সাজিয়েছেন ১০ চার ও ১ ছক্কায়। তার সঙ্গে শেষ দিকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন পিটার মুর, ২১ বলে ২ ছক্কায় তিনি করে যান ২৮ রান।
এর আগে ব্রেন্ডন টেলর জ্বলে উঠেছিলেন ব্যাট হাতে। চলতি সিরিজে প্রথমবার স্বরূপে ফিরে খেলেছেন ৭৫ রানের কার্যকরী ইনিংস। সঙ্গে সিকান্দার রাজার ৪০ রানে ভর দিয়ে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে জিম্বাবুয়ে করেছে ২৮৬ রান।
বল হাতে খুব একটা ভালো দিন কাটেনি বাংলাদেশের। সর্বোচ্চ ২ উইকেট শিকার নাজমুল ইসলামের। তবে আবু হায়দার ও মাহমুদউল্লাহ ছিলেন মিতব্যয়ী। আবু হায়দার ৯ ওভারে ৩৯ রান দিয়ে পেয়েছেন ১ উইকেট। আর ১০ ওভারে মাহমুদউল্লাহর খরচ ৪০ রান।








