ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করলেন ইয়াসির শাহ। দুবাই টেস্টে প্রথম দুই দিনের নিষ্প্রাণ পিচ হাত ভরে সাফল্য দিলো পাকিস্তানের এই স্পিনারকে। এতে ইনিংস হারের শঙ্কায় পড়েছে নিউজিল্যান্ড।
দুবাই টেস্টের প্রথম দুই দিনে পড়েছিল কেবল ৫ উইকেট। কিন্তু কেবল তৃতীয় দিনেই পড়ল ১২ উইকেট! সবগুলোই নিউজিল্যান্ডের। তাদের গুঁড়িয়ে দিয়েছেন ইয়াসির শাহ। পাকিস্তানের এই স্পিনারের গুগলিতে মাত্র ৯০ রানে প্রথম ইনিংসে অলআউট হয় কিউইরা। ফলো অনে দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নেমে ২ উইকেটে ১৩১ রানে দিন শেষ করেছে তারা।
পাকিস্তান ৫ উইকেটে ৪১৮ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে। সোমবারের খেলা শেষে এখনও ৮ উইকেট হাতে রেখে ১৯৭ রানে পিছিয়ে নিউজিল্যান্ড।
কোনও উইকেট না হারিয়ে ২৪ রানে দিন শুরু করেছিল নিউজিল্যান্ড। জিত রাভালকে ৩১ রানে বোল্ড করে ৫০ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন ইয়াসির। লাঞ্চে যাওয়ার আগে এক ওভারেই আরও তিন উইকেট ঝুলিতে ভরেন পাকিস্তানি স্পিনার।
৬৪ রানে ৪ উইকেটে দ্বিতীয় সেশনে নেমে আর ২৬ রান যোগ করতেই গুটিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। ইয়াসিরের এই ঘূর্ণি জাদু অন্য প্রান্ত থেকে কেবল দেখে গেছেন কেন উইলিয়ামসন। কিউই অধিনায়ক অপরাজিত ছিলেন ২৮ রানে।
ইয়াসির প্রথম ইনিংসে ১২.৩ ওভারে ১ মেডেনসহ ৪১ রান দিয়ে নেন ৮ উইকেট। সংযুক্ত আরব আমিরাতে টেস্টে এটাই কোনও বোলারের সেরা পারফরম্যান্স। আগেরটি ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের দেবেন্দ্র বিশুর দখলে, দুই বছর আগে ৪৯ রান দিয়ে ৮ উইকেট নেন। তাছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার গুফি লরেন্সকে (৮/৫৩) টপকে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও সেরা বোলারের আসনে বসলেন ইয়াসির।
ফলো অনে পড়ে দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নেমে আবারও ইয়াসিরের কাছে উইকেট হারাতে থাকে নিউজিল্যান্ড। ৬৬ রানের মধ্যে রাভাল (২) ও উইলিয়ামসন (৩০) শিকার হন এই স্পিনারের। তারপরই ল্যাথাম ও রস টেলরের ৬৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে প্রতিরোধ গড়ে তারা। ল্যাথাম ৪৪ ও টেলর ৪৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। ক্রিকইনফো








