পার্থের নতুন স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার দারুণ শুরু মলিন করে দিয়েছিলেন ভারতের বোলাররা। মার্কাস হ্যারিস ও অ্যারন ফিঞ্চের একশ ছাড়ানো জুটির পর ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছিল স্বাগতিকরা। কিন্তু হাফসেঞ্চুরিতে দলকে উদ্ধার করেন ট্রাভিস হেড।
মাঝপথের ধাক্কা ছাড়া দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিন ভালো কাটিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। শুক্রবারের খেলা তারা শেষ করেছে ৬ উইকেটে ২৭৭ রানে।
অ্যাডিলেড টেস্টে প্রথম ইনিংসে রানের খাতা না খুলে বিদায় নেওয়ার পর শেষ ইনিংসে মাত্র ১১ রান করেন ফিঞ্চ। পার্থ টেস্টের দল থেকে বাদ পড়ার শঙ্কায় ছিলেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার। কিন্তু টিম পেইন আস্থা রেখেছিলেন তার ওপর। সেটারই প্রতিদান দিলেন ফিঞ্চ। ক্যারিয়ারের তৃতীয় ম্যাচে ১০৩ বল খেলে ৬ চারে পেলেন প্রথম হাফসেঞ্চুরির দেখা।
ফিঞ্চ ও হ্যারিসের জুটিতে কোনও উইকেট না হারিয়ে ৬৬ রানে প্রথম সেশন শেষ করে অস্ট্রেলিয়া। লাঞ্চের কিছুক্ষণ পর উদ্বোধনী জুটি তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছায়। কিন্তু সেটাকে বেশি লম্বা করতে পারেনি তারা। পঞ্চাশ ছোঁয়ার দুই বল পর জসপ্রীত বুমরাহর এলবিডাব্লিউর ফাঁদে পড়েন ফিঞ্চ। ৫০ রানে তার বিদায়ে ভাঙে ১১২ রানের শক্ত জুটি।
তারপর হ্যারিসকে ফিরিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে চাপে ফেলে ভারত। ৩৬ রানের ব্যবধানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে স্বাগতিকরা। ব্যাটসম্যানদের এই আসা যাওয়ার মিছিলে যোগ দেন হ্যারিসও। ৯০ বলে প্রথম হাফসেঞ্চুরি করা এই ওপেনার ১৪১ বলে ৭০ রান করে হানুমা বিহারির শিকার হন।
১৪৮ রানে ৪ উইকেট হারানো দলকে টেনে তোলেন হেড, সঙ্গ দেন শন মার্শ। দুজনের পঞ্চাশ ছাড়ানো জুটি স্বস্তি ফেরায়। হানুমা বিহারির কাছে ভাঙে ৮৪ রানের জুটি। মার্শ ৪৫ রানে আজিঙ্কা রাহানের ক্যাচ হন।
বিকেলের সেশনের শেষ দিকে হেডও ফিরে যান ক্রিজ থেকে। ৭০ বলে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে হাফসেঞ্চুরি করেন তিনি। চার টেস্টের ক্যারিয়ারে এটি তার তৃতীয় ফিফটি। ৫৮ রানে তাকে আউট করেন ইশান্ত শর্মা।
সেট হওয়া দুই ব্যাটসম্যান আউট হওয়ার পর পেইন ও প্যাট কামিন্স অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেন। পেইন ১৬ আর কামিন্স ১১ রানে খেলছিলেন।
বিহারি ও ইশান্ত ভারতের পক্ষে দুটি করে উইকেট নিয়ে দিনের সেরা বোলার। ক্রিকইনফো








