ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পর টি-টোয়েন্টিতেও সাফল্যের হাতছানি ছিল বাংলাদেশের সামনে। কিন্তু সিলেটে প্রথম ম্যাচটি হেরে ২০ ওভারের সিরিজে এখন টিকে থাকাই লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে সাকিব আল হাসানদের। বৃহস্পতিবার সিরিজে ফেরার এই লড়াইয়ে স্বাগতিকদের একাদশ কেমন হবে সেটা নিয়ে চলছে আলোচনা।
গত কয়েক দিন জ্বরে ভুগছেন সাকিব। তার খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও শেষ পর্যন্ত মাঠে নামবেন তিনি। টিম ম্যানেজমেন্ট সূত্রে জানা গেছে এটা।
তবে একাদশে অন্তত একটি পরিবর্তন অনেকটাই নিশ্চিত! বাঁহাতি পেসার আবু হায়দার রনির বদলে দেখা যেতে পারে পেসার রুবেল হোসেনকে। বুধবার নেটে টানা বোলিং করেছেন তিনি। পেস বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশের তত্ত্বাবধানে লেন্থ নিয়ে কাজ করেছেন ডেথ ওভারে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা পেসার।
সিরিজে ফেরার লড়াইয়ে মিরপুরের অনিশ্চয়তায় ভরপুর উইকেটে খেলতে নামবে। মিরপুরের উইকেট কখন কী আচরণ করবে, আগে থেকে বোঝা মুশকিল। খানিকটা নিচু আর মন্থর হওয়ায় স্পিনাররা বাড়তি সুবিধা পেয়ে থাকে। যদিও এই মাঠে বাংলাদেশের সাফল্যের হার কিছুটা হলেও বেশি।
আগের দিন দুপুরে মেঘে ঢাকা কনকনে বাতাসে আলোর স্বল্পতায় কৃত্রিম আলো জ্বালিয়ে ফিল্ডিং, ক্যাচিং ও মূল উইকেটে বিগ হিট অনুশীলন করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের অনুশীলনেই বোঝা যাচ্ছিল আজকের ম্যাচকে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে তারা।
অনুশীলনের এক ফাঁকে উইকেট খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখলেন কোচ, অধিনায়ক ও সিনিয়র ক্রিকেটাররা। নিশ্চিতভাবেই সিলেটের মতো গতিময় ও বাউন্সি উইকেট হবে না এখানে। ব্যাটসম্যানদের পাশাপাশি স্পিনারদের সুবিধা থাকবে এই উইকেটে। এমনিতেই শীতের কারণে কিছুটা হলে সুবিধা থাকবে পেসারদের।
কোনও দলের বিপক্ষে দ্বি-পাক্ষিক সিরিজে এখনও তিন ফরম্যাটেই শিরোপা একসঙ্গে জেতা হয়নি বাংলাদেশের। বৃহস্পতিবার ম্যাচটি জিততে পারলে স্বাগতিকদের সামনে ট্রেবল (ওয়ানডে, টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি) জয়ের সম্ভাবনা বেঁচে থাকবে। এই আশা বাঁচিয়ে রাখতেই প্রাণপণ লড়াই করবেন সাকিব-মুশফিকরা।








