প্রথম টি-টোয়েন্টিতে তার ঝড়ে প্রতিরোধও গড়তে পারেনি বাংলাদেশ। মিরপুরের দ্বিতীয় ম্যাচেও জ্বলে উঠেছিল শাই হোপের ব্যাট। যদিও বেশিদূর যেতে দেননি তাকে মেহেদী হাসান মিরাজ। এই স্পিনারের বলে তার আউটের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্কোর ৬ ওভারে ৩ উইকেটে ৭৩। বাংলাদেশ করেছে ২১১ রান।
ব্যাটে বসন্ত চলছে হোপের। বাংলাদেশ সফরের ওয়ানডে সিরিজে রানের বন্যা বইয়ে দিয়েছেন তিনি। টি-টোয়েন্টি সিরিজেও শুরুতেও ছিলেন স্বরুপে। মিরপুরের দ্বিতীয় ম্যাচেও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছিলেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। যদিও বেশিদূর যেতে দেননি মিরাজ। এই স্পিনারের বলে ১৯ বলে ৩৬ রান করে ফিরে গেছেন হোপ। ৬ বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ডিপ মিডউইকেটে ধরা পড়েন তিনি লিটন দাসের হাতে।
বোলিংয়ে এসেই সাকিবের উইকেট
বল হাতে নিয়েই সাফল্য পেয়েছেন সাকিব আল হাসান। দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে চলা ক্যারিবিয়ানদের চেপে ধরেন তিনি নিকোলাস পুরানকে আউট করে। সাকিবের আগের বলেই ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন তিনি, পরের বলে একই শট খেলতে গিয়ে ধরা পড়েন তামিম ইকবালের হাতে। ৬ বলে তার সংগ্রহ ১৪।
হায়দার ফেরালেন লুইসকে
শুরুতেই বাংলাদেশেকে উইকেট এনে দিলেন আবু হায়দার। এই পেসারের শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে গেছেন এভিন লুইস।
ব্যাটে বল লাগার পরও আম্পায়ার তাকে এলবিডাব্লিউ দিয়েছিলেন, তাতে ক্ষোভ ঝরেছিল লুইসের অঙ্গভঙ্গিতে। সে যাত্রায় ‘বেঁচে’ গেলেও হায়দারের বলে আর রক্ষা হয়নি। এই পেসারের বলে ‘বিগ’ শট খেলতে গিয়ে ক্যারিবিয়ান ওপেনার ডিপ মিডউইকেটে ধরা পড়েন লিটন দাসের হাতে। আউট হওয়ার আগে লুইস করেছেন মাত্র ১ রান।
বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১১
এতদিন ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ছিল ১৯৩। বৃহস্পতিবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে রেকর্ডটা নতুন করে লিখলো টাইগাররা। মিরপুরে সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে স্বাগতিকরা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে স্কোরে জমা করেছে ২১১ রান।
একটুর জন্য টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের সর্বোচ্চ রেকর্ড ভাঙা হয়নি। দেশ ও দেশের বাইরে মিলিয়ে কুড়ি ওভারের ফরম্যাটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ২১৫ রান। গত মার্চে কলম্বোতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গড়া ওই রেকর্ড ভাঙা না গেলেও ঘরের মাঠের সর্বোচ্চ রানকে টপকে গেছে। এ বছরের শুরুর দিকে লঙ্কানদের বিপক্ষেই মিরপুরে ১৯৩ রান করেছিল টাইগাররা।
লিটন দাসের হাফসেঞ্চুরির (৩৪ বলে ৬০) পর সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহর ঝড়ো ইনিংস দুটিতে ২০০ ছাড়ানো স্কোর গড়েছে বাংলাদেশ। লিটনের তৈরি করা ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে একের পর এক শট খেলেছেন সাকিব-মাহমুদউল্লাহ। ব্যাটে ঝড় তুলে মাহমুদউল্লাহ ২১ বলে ৭ বাউান্ডারিতে অপরাজিত ছিলেন ৪৩ রানে। অন্যদিকে ক্যারিবিয়ান বোলারদের ওপর টর্নেডো বইয়ে সাকিব ২৬ বলে ৫ চার ও এক ছক্কায় খেলেছেন হার না মানা ৪২ রানের ইনিংস।
আগের ম্যাচে আলো ছড়ানো শিলডন কট্রেল ৩৮ রান খরচায় পেয়েছেন ২ উইকেট। একটি করে উইকেট শিকার ওশানে থমাস ও ফ্যাবিয়ান অ্যালেনের।








