২০ ওভারের ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো পাঁচ উইকেট শিকার করলেন সাকিব আল হাসান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে বাংলাদেশের ৩৬ রানের জয়ে সবচেয়ে বড় অবদান অধিনায়কের। অপরাজিত ৪২ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংসের পর ঘূর্ণি-জাদুতে ক্যারিবীয়দের ‘বধ’ করা বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের হাতেই উঠেছে ম্যাচসেরার পুরস্কার।
আজ মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে লিটন-সাকিব-মাহমুদউল্লাহর ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ২১১ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়েও স্বস্তিতে ছিল না বাংলাদেশ। তিন পেসারের খরুচে বোলিং একসময় দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছিল স্বাগতিকদের।
তবে সাকিব বল হাতে নিতেই দূর হয়েছে সব দুর্ভাবনা। নিজের প্রথম ওভারে (ইনিংসের পঞ্চম) নিকোলাস পুরানকে ফেরানোর পর সরে যান বোলিং থেকে। দ্বিতীয় স্পেলে ফিরেছেন একাদশ ওভারে, আর ফিরেই জোড়া আঘাত। শিমরন হেটমায়ার আর ড্যারেন ব্রাভোকে একই ওভারে আউট করে বাংলাদেশকে নিয়ে যান জয়ের পথে। সাকিবের পরের দুই ওভারে দুটি উইকেট উপহার পেয়েছে টাইগাররা। প্রতিপক্ষ অধিনায়ক কার্লোস ব্র্যাথওয়েটকে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলার পর ফ্যাবিয়ান অ্যালেনকে বোল্ড করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
আজ তার বোলিং ফিগারটা (৪-০-২১-৫) তাই এক কথায় অনবদ্য। টি-টোয়েন্টিতে এটাই সাকিবের সেরা বোলিং। আগের সেরা ছিল ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে, ওমানের বিপক্ষে ৪/১৫।
সাকিবের দুর্দান্ত অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের সুবাদে মিরপুরে অনেক দিন পর টি-টোয়েন্টি ম্যাচে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে আজকের আগে টাইগাররা শেষ টি-টোয়েন্টি জিতেছিল ২০১৬ সালের মার্চে, পাকিস্তানের বিপক্ষে এশিয়া কাপে। এরপর মিরপুরে টানা চারটি ২০ ওভারের ম্যাচে হেরে যায় বাংলাদেশ। অবশেষে ‘হোম অফ ক্রিকেট’ মেতে উঠলো টি-টোয়েন্টি জয়ের উৎসবে।








