বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) পঞ্চম রাউন্ড শেষ হয়েছে ড্রতে। বৃষ্টি ও খারাপ আবহাওয়ার কারণে প্রথম দিনে খেলাই হয়নি। বাকি তিন দিনে পূর্বাঞ্চল-দক্ষিণাঞ্চলের ম্যাচে খানিকটা উত্তেজনা ছড়ালেও উত্তরাঞ্চল-মধ্যাঞ্চল খেলা হয়েছে নিষ্প্রাণ ড্র। এই রাউন্ড শেষে ২১.৮৭ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে মধ্যাঞ্চল।
পূর্বাঞ্চল-দক্ষিণাঞ্চল
বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে ঝড়ো হাফসেঞ্চুরি করেছেন মোহাম্মদ আশরাফুল। আগের রাউন্ডে সেঞ্চুরি পাওয়া এই ব্যাটসম্যান ৩০ বলে পূরণ করেন ফিফটি। শেষ পর্যন্ত ৩৭ বলে ৫ চার ও এক ছক্কায় তার ৫৪ রানে ভর করে ৫ উইকেটে ১৫৯ রানে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে পূর্বাঞ্চল। আশরাফুলের আগে ব্যাটে ঝড় তুলেছিলেন ওপেনার রনি তালুকদার। ৩৯ বলে ৪ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায় রনি করেন ৫৮ রান।
তাতে ৮ উইকেটে ১৭৫ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করা দক্ষিণাঞ্চলের লক্ষ্য ঠিক হয় ২৪৭ রানের। কিন্তু দিনের খেলা শেষ হওয়ার আগে তারা ৫ উইকেট হারিয়ে করতে পারে ১৩২ রান। ওপেনার এনামুল হকের ৩২ রানের পর মেহেদী হাসানের ব্যাট থেকে আসে অপরাজিত ৩৯ রান। তার সঙ্গে ২৩ রানে অপরাজিত ছিলেন নুরুল হাসান। ড্র হওয়া ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় দক্ষিণাঞ্চলের ফজলে মাহমুদ।
উত্তরাঞ্চল-মধ্যাঞ্চল
রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে উত্তরাঞ্চল-মধ্যাঞ্চলের ম্যাচ হয়েছে নিষ্প্রাণ ড্র। মধ্যাঞ্চলের প্রথম ইনিংসে ২৯৪ রানে অলআউট হওয়ার পর উত্তরাঞ্চল তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেটে ১১৩ রান করার পর ম্যাচ শেষ হয় ড্রতে। প্রথম ইনিংসে তারা করেছিল ১৪৬ রান।
১ উইকেটে ১৪৯ রান নিয়ে চতুর্থ দিন শুরু করেছিল মধ্যাঞ্চল। যদিও সানজামুল ইসলামের ঘূর্ণিতে সংগ্রহটা বড় করতে পারেনি তারা। এই স্পিনার ১০৩ রান খরচায় নিয়েছেন ৬ উইকেট।
৬৬ রান নিয়ে শুরু করা সাইফ হাসান ৭৫ রানে ফেরেন প্যাভিলিয়নে। ৭ রান নিয়ে শুরু করা আব্দুল মজিদ হাফসেঞ্চুরি পূরণ করে আউট হন ৫৪ রানে। এরপর মার্শাল আইয়ুবের ৩৪ রান ছাড়া বাকি ব্যাটসম্যানরা কিছুই করতে পারেননি। তাই ২৯৪ রানে থামে মধ্যাঞ্চল।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে উত্তরাঞ্চল ৩ উইকেটে করেছে ১১৩ রান। জুনায়েদ সিদ্দিকী করেছেন সর্বোচ্চ ৪৭ রান। এছাড়া ৩৩ রান এসেছে ফরহাদ হোসেনের ব্যাট থেকে। ম্যাচসেরা হয়েছেন উত্তরাঞ্চলের সানজামুল।








